বাংলাদেশে এসে বিদেশী পর্যটকেরা কি দেখতে চায়?

  • Ratul Islam 867 26/07/2018

আমরা জানি বাংলাদেশে খুব্ বেশী বিদেশী পর্যটক আসেনা। যাদেরকে পর্যটক হিসেবে দেখানো হয় তাদের একটা অংশ প্রবাসী, রয়েছে চাকরীর জন্য আসা বিদেশী, আসে ব্যবসায়ীরাও। কেন এই অপ্রতুলতা পর্যটকের? একদিকে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অভাবে একরম বাঁধা হয়ে আছে ভিসাপদ্ধতি, তাছাড়া ও খরচ সংক্রান্ত বিষয় আছে। তার উপর আছে জঙ্গি কার্যক্রম। অন্যদিকে ভারতীয় মিডিয়ার বিপক্ষে অনেকে অভিযোগ করেন বাংলাদেশকে নেতিবাচক ভাবে তুলে ধরে বলে।


যাই হোক অল্প কিছু পর্যটক এতসব সমস্যার মধ্যেও যে বাংলাদেশে ঘুরতে আসে বা বাংলাদেশ দেখতে আসে তারা আসলে কি দেখতে চায়? বা তারা কি পছন্দ করে কিংবা কোনটা তাদেরকে টানে? আমরা জানিযে বাংলাদেশের প্রধান ১০টি পর্যটন স্পট হলো, সেন্টমার্টিণ, কক্সবাজার, সাজেক, বান্দরবান, সুন্দরবান, রাতারগুল, বিছানাকান্দি, নিঝুম দ্বীপ ও কুয়াকাটা। আমাদের দেশীয় পর্যটকেরা এসব পছন্দ করেন বলে সেভাবে আমরা তালিকা তৈরী করেছি। বিদেশীরা কিন্তু এই তালিকায় সুন্দরবন, বান্দরবান, সিলেট ছাড়া অন্যগুলো দেখতে তেমন একটা আসে না। হয়তো এসে পড়লে দেখতে যায়, তাদের মূল আকর্ষণ অন্যত্র। কেন? তারা কেন এসব দেখতে আসেন না? অন্যগুলোকে প্রধান দর্শনীয় মনে করেন? সেটা আগে বলি। তারপর আপনাদের বলবো বিদেশীরা কি দেখতে চায় এবং কেন দেখতে চায়? সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপ। বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা। কিন্তু বিশ্বে আরো যেসব স্থানে প্রবাল দ্বীপ আছে। সেখানে সবকিছু আরো সুন্দর ও টিপটপ করে রাখা আছে। এবং রয়েছে সব সুযোগ সুবিধা। সেন্টমার্টিন দ্বীপে যে পরিমাণ ময়লা ফেলি আমরা তাতে এর সৌন্দর্য দিন দিন নষ্ট হচ্ছে। কক্সবাজার, আমরা বলি পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো সমুদ্র সৈকত। যদিও এটা স্বীকৃত নয়। তাছাড়া বড়ো সৈকত কেউ দেখতে চায়না। সবাই চায়
সবচেয়ে সুন্দর, গোছানো ও নিরাপদ সৈকত দেখতে। পৃথিবীতে এরচেয়ে সুন্দর শত সৈকত আছে। আছে সেসব সৈকতে আছে বিনোদনের নানা আয়োজন।

সাজেক, বাংলাদেশের অনন্যসুন্দর পাহাড়ী ভ্যালি। অনেকে একে ভারতের দার্জিলিং এর সাথে তুলনা করে থাকেন। যদি এটা অনন্য সুন্দর হয় তাহলে তা অন্য কোনো স্থানের সাথে তুলনা করার প্রয়োজন হবেনা। পৃথিবীর অন্যান্য পাহাড়ী সুন্দর এলাকার সাথে তুলনা করলে তেমন কিছু নেই। তাছাড়া যাতায়াত ও অন্যান্য সুবিধা পর্যাপ্ত নয়। তবে, এর জন্য কোনোভাবেই এর সৌন্দর্য কম সেটা বলা যাবেনা। এখানে পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে উপজাতি পাড়া। মেঘ আর কুয়াশার লুকোচুরি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটি বিশেষ স্থান। বৈশ্বিক পেক্ষাপটে নয়। কারণ এর সৌন্দর্যের পাশপাশি এর একটা একক বৈশিস্ঠ্য থাকা দরকার। তাহলে কেবল বিদেশীদের জন্য এটা দর্শনীয় স্খানের তালিকায় এগিয়ে থাকবে। বান্দরবানে উদ্ভিদ ও প্রাণীবৈচিত্র কমছে, নিরাপত্তারও অভাব আছে। আছে নানারকম বিধিনিষেধও। এর ধরনের স্থান বিশ্বে অনেক রয়েছে। আর সেখানে রয়েছে যতোসব সুবিধা। তাহলে একই বস্থু দেখার জন্য আপনি নিরাপদ স্থানে যাবেন নাকি অনিরাপদ স্থানে যাবেন? বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট যাই হোক বান্দরবান আমাদের সম্পদ, এর সৌন্দর্য অবারিত। এখানে পর্যটকেরা যায়। তবে তারা ভিন্ন কিছু খুঁজে, একক কোনো বৈশিষ্ট্য জানতে চায়। উপজাতিদের সংস্কৃতি দেখে হয়তো কিছুটা এর ইউনিকনেস খুঁজে পাওয়া যায়।

রাতারগুলও বিছানাকান্দি একটু অন্যরকম সুন্দর জায়গা এবং একটু আলাদা ধরনের স্থান হলেও এগুলোতে উপরের গুলোর তুলনায় বিদেশীদের পছন্দের তালিকায় থাকলেও মুল পছন্দ এগুলো নয়। কারণ পর্যটন বান্ধব অনেককিছুই আমাদের দেশে গড়ে উঠেনি। আর এগুলোতে সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় শুধু বর্ষাতে। এমনকি দেশীয় পর্যটকেরা এসব স্থানে এতেবেশী যায় একদিকে এতে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়, অন্যদিকে পরিবেশ নোংরা হয়ে যায়। বিশেষ করে প্লাস্টিক বোতল যখন ফেলা হয়। নিঝুম দ্বীপ কুয়াকাটা সাধারণ সমুদ্র সৈকতমাত্র। সমুদ্র সৈকতের কথা আগেই বলেছি। তবে নিঝুম দ্বীপে হরিণ আর ম্যানগ্রোভ গাছ মিলিয়ে সুন্দরবনের একটা আবহ মেলে। এবার মূল কথায় আসি আমাদের দেশে আমরা শুধু পাহাড় আর সমুদ্র কিংবা প্রাকৃতিক সুন্দর দেখার জন্য ভ্রমণ করলেও। ভ্রমনের মূল উদ্দেশ্য আসলে একটা দেশের মানুষ দেখা, তাদের সম্পর্কে জানা, তাদের
জীবনকে কাছ থেকে দেখা, প্রকৃতির সাথে তাদের সম্পর্কটা বোঝা, তাদের খাবার, জীবনযাত্রা, বিশ্বাস ও কৃষ্টি এসব জানা। তাই বিদেশীরা যেসব স্থান ও জিনিস দেখতে আসে সেগুলো একবার দেখে নেয়া যাক আগে আমরা একটা তালিকা করি তারপর সেগুলো কেন দেখতে যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করবো।


১। সদরঘাট, ঢাকা

২। কুমোরপল্লী,
৩। সুন্দরবন
৪। শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
৫। বান্দরবান
৬। পাহাড়পুর ও বাগেরহাট
৭। আহসান মণ্জিল, লালবাগের কেল্লা ও সোনার গাঁ
৮। লাউয়াছড়া ইকোপার্ক
9| গ্রামীন জীবন, জীবিকা ও সংস্কৃতি
১০। উপজাতিদের জীবনধারা ও সংস্কৃতি।

কেন বিদেশীরা সদরঘাট দেখতে যায়? আজ থেকে চারশ বছর আগে সদরঘাট থেকেই ঢাকা শহরের পত্তন হয়। সেখানে নানা রংএর নানা পেশার মানুষদের জীবনের নানা গতি-প্রকৃতি দেখা যায়। সেটাই বাংলাদেশের আসল চিত্র। আপনি হয়তো বসুন্ধরা সিটি দেখাতে চাইবেন সেটা বাংলাদেশ নয়। কিংবা যমুনা ফিউচার পার্ক বিদেশের আদলতৈরী। এসব জিনিস ইউরোপ আমেরিকায় ভূরি ভূরি আছে। সেটা দেখতে কেউ নিশ্চই এখানে আসেনা। আসে এখানকার প্রকৃত চিত্র দেখতে। সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনাল সেখানকার হাক ডাক জনবহুল বাংলাদেশের এক প্রতিচিত্র তুলে ধরে পর্যটকদের সামনে।

ধামরাইয়ের কুমোরপল্লীতে বিদেশীরা কি দেখে? ধামরাইয়ের কুমোরপল্লী সে আরেক বাংলাদেশ। এখানে কুমোররা মাটি দিয়ে বানায় মৃৎশিল্পের নানা আকর। আপনি যদি গ্রামে বড় হয়ে থাকেন বা আপনার বাড়ীর পাশে যদি এরকম কুমোরবাড়ী থাকে। তাহলে এটা আপনার কাছে কিছুই নয়। কিন্তু একজন প্রকৃতি ও জীবনপ্রেমী বিদেশী পর্যটকের কাছে এটাই এক টুকরো বাংলাদেশ। কারণ বাংলাদেশ মানেই স্যুট টাই পরা ফুলবাবু নয়। বাংলাদেশ মানে এদেশের কৃষক, জেলে, কামার, কুমোর। সারা দুনিয়ার মানুষ তাদের ইতিহাস ঐতিহ্য ধারণ করে আমরা ধারণ করি বিদেশীদের সংস্কৃতি। কালো স্যুট টাই পশ্চিমা বিশ্বের পোষাক এজন্য তারা এটা পরে, আর আমরা পরি আমরা তাদের মতো হতে চাই সেজন্য। কিছুদিন আগে সোয়াজীল্যান্ডের রাজা সেদেশের ঐতিহ্যবাহী পোষাক পরে জাতিসঙ্গ অধিবেশনে যোগ দেয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছিলো।

সুন্দরবন বিদেশী পর্যটকদের টানে?
হাঁ বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বাসভূমি এজন্য প্রতিশ্রুতিশীল পর্যটকেরা সুন্দরবন দেখতে আসেন। এখানে তাদের সাথে আমাদের কিছুটা মিলে। তারা আসে মেসেজ দিতে যে, সুন্দরবনকে বাঁচাতে হবে। আমরা যাই মেসেজ দিতে যে, সুন্দরবন তোমাকেও খাবো একদিন। নইলে কেন আমরা নদীতে প্লাস্টিক আর পানির বোতল ফেলি। কেন আমরা দিন দিন হরিণ খেয়ে সাবাড় করছি আর বাঘ মেরে খালি করছি? বাঘ হরিণ ছাড়াও সুন্দরবনের আরো তিনটি জিনিস বিদেশীরা যদি কখনো আসে দেখার চেষ্টা করে। সেগুলো হলো রাসমেলা, বনবিবির মন্দির ও পূজা আর সুন্দরী গাছের রস থেকে তৈরী গুড়।

শ্রীমঙ্গল, লাউয়াছড়া মৌলভীবাজার

এখানকার প্রকৃতি এখনো পুরোটা নষ্ট হয়নি। লাউয়াছড়ায় ট্যাকিং খুব উপভোগ্য, নিরাপত্তা পরিস্থিতিও বেশ ভালো। মৌলভী বাজারের চা বাগান ছাড়াও হামহাম ঝর্ণা অনিন্দ্য প্রকৃতির অনন্য রুপ। প্রকৃতি পাগল মানুষেরা সেখানে ঘুরতে যায়। দেশী কিংবা বিদেশী সবাই। মৌলভীবাজারের কিছু স্খানীয় খাবারও রয়েছে। মুঠি পিঠা, সাতকরা
সাথে এখানকার হাওরের মাছ।

পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে বান্দরবান যেমন এখনো অনান্য পাহাড়ী জেলার তুলনায় কম চষা হয়েছে। তেমনি বান্দরবানে মন্দির, পাহাড়, ঝর্ণা, লেক আর সর্বোচ্চ পাহাড় এমন অনেক কিছুই আছে যা ভ্রমণ পিয়াসীদের টানে।

যেসব বোদ্ধা ও সমঝদার পর্যটক প্রত্নতাতিত্বক নির্দশন দেখতে চান। ঢাকার মধ্যে হলে তারা লালবাগের কেল্লা কিংবা আহসান মঞ্জিলে যান। এগুলো হয়তো হাজার বছর পুরনো নয়। তবুও এগুলো আমাদের ইতিহাসের ঐতিহ্যের ধারক। আর যদি সকাল সন্ধ্যা ট্রিপ নেন ঢাকা থেকে, তাহলে তাদের গন্তব্য হয় সোনার গাঁ লোকশিল্প যাদুঘর ও পানাম সিটি। লোকশিল্প যাদুঘর লোক ঐতিহ্যের ধারক। একটি দেশের সংস্কৃতির পরিচয় হলো সে দেশের লোক ঐতিহ্য। আর পানাম সিটি সে কালের সোনার গাঁয়ের বিশ্বখ্যাতিকে মনে করিয়ে দেয়। এরমধ্যে যারা আরো গভীরে যেতে চান। একদিনের সফর হলে কুমিল্লার ময়নামতি সেই সাথে ওয়ার সেমিট্রি। উপমহাদেশের দ্বিতীয়বিশ্বযুদ্ধকেন্দ্রীক ৯টি কবরসৌধ এর মধ্যে ২টি বাংলাদেশে। আরো যারা লম্বা সময় নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য দেখতে চান। তারা গাড়ি হাকেন বগুড়ার পুন্ড্রনগর কিংবা সোমপুর পাহাড়পুর বিহারে। কেননা এগুলো আমাদের শেকড়ের কথা বলে।

আমাদের দেশ গ্রাম, কৃষি ও নদী প্রধান। এখানে নদীর সাথে মানুষের মিতালী, সবুজ ধানক্ষেত যেন এক টুকরো ক্যানভাস। এই গ্রাম বাংলাই টানে ভ্রমণপ্রিয় বিশ্ববাসিকে। খালি চোখে আমরা অনেক সময় আমাদের গ্রামীন প্রকৃতির সৌন্দর্য বুঝতে পারি না। কিন্তু যখন আলোকচিত্র শিল্পীর একটি ফ্রেমে একটি কুড়েঘর তার পেছনে প্রকৃতি সামনে কৃষাণীর
জীবনের রং ফুটে উঠে তখন তা শিল্পীর আঁকা ছবিকে হার মানায়। আর সেটাই আমরা দেখাতে পারি বিশ্বের মানুষকে। যারা বাংলাদেশ ঘুরে যায় তারা বাংলার গ্রামীন জীবেনের এই সরল চিত্রের কথাই বলেন। আর বলেন এদেশের মানুষের ভালোবাসা ও অতিথিপরায়নতার কথা। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি, স্থানী আদিবাসীদের জীবন ও সংস্কৃতি যেকোনো দেশের মানুষের সংস্কৃতির বৈচিত্রের পরিচয় বহন করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তাই। এখানকার নানা উপজাতি এদেশের সংস্কৃতি রঙীন নির্মল আর কোমল সুন্দর নানা মাত্রা যোগ করেছে। তাদের নিজেদের সংস্কৃতিকে তারা ধরে রেখে তাকে অন্যের চোখে করেছে আকর্ষনীয় আর দর্শনীয়। এভাবেই তারা সুন্দরের প্রতিনিদিত্ব করছে। আজকাল আমাদের দেশীয় পর্যটকেরাও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির উদসব আয়োজনে হাজির হন আমোদিত পর্যটনে।

বন্ধুরা, আমি কিন্তু একবারও বলিনি, যে বিদেশী পর্যটকেরা কক্সবাজার, সাজেক, কিংবা সেন্টমার্টিনে যাননা। তবে আপনারা যারা এসব স্থানে গিয়েছেন তাদের চোখে নিশ্চই সে হারটা চোখে পড়েছে। আর এ ধরনের স্থান বিশ্বে অভাব নেই। তাছাড়া বিশ্বের অনেক স্থানের সাথে মিলেও যাবে। কিন্তু সুন্দরবন কিংবা বান্দরবান কিংবা ভীমরুলি পেয়ারা বাজার অথবা কুমোর পল্লী কিংভা শুটকি পল্লীও হয়তো আছে। কিন্তু আমাদের কুমোর আর তাতী পল্লী কিংবা কামার আর জেলে পল্লীর নিশ্চয় একটা দেশীয়তা নিজস্বতা এবং বাঙালীয়তার ব্যাপার আছে। আর সেটাই আমারদের বিশেষত্ব। হাজার মাইল দূরে থেকে লোকেরা বিশেষত্ব দেখতেই আসবে গতানুগতিকতা নয়। বিদেশীরা দেখতে আসে মানে কি লাইন ধরে আসে তা নয়। কারণ ট্যুরিজম এর অনেক সুযোগ সুবিধা আমাদের দেশে নেই। ট্যুরিজম ধারনাটাই আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। এমনকি নেই কোনো তুলে ধরার আয়োজন, নেই বিভিন্ন ট্যুরিস্ট স্পটে সম্পূরক বিনোদন ও ভ্রমণ সুবিধা। ফলে এখনো অনেক দূর পাড়ি দিতে হবে। আমিতো কেবল এটা বলতে চেয়েছি যে, আমরা দেশীয়রা যেমন মনে করি, নীলঘিরি নীলাচল, কলাতলী, সেন্টমার্টিন আর সাজেকভ্যালী দেখে সেলফি তোলাই ট্যুরিজম সেখানে একজন ধারণাগত দিক দিয়ে উন্নত পর্যটকের চোখে কোনটা দেখনীয় তাই শুধু এই লেখার আলোচ্য বিষয় ছিলো।
লেখাঃ জাহাঙ্গীর আলম শোভন



Quick Search