কাঁটাবন ফিস এন্ড পেট এনিমেল মার্কেট

  • Ratul Islam 2345 05/02/2018

কাঁটাবন ফিস এন্ড পেট এনিমেল মার্কেট

 

ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয় সংলগ্ন কাঁটাবনে রাস্তাটি দিয়ে যাবার সময় চোখে পরে নানান ধরণের রংবেরঙ্গের মাছ কিংবা বাহারী রঙ্গীন পাখির কিচির-মিচির কলতান। নানান রকম পশুপাখিতে ভরা এটি কোন বন নয় বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটে গড়ে ওঠা পোষা প্রাণীর এক জমজমাট বিক্রয়কেন্দ্র “কাঁটাবন ফিশ এন্ড পেট এনিমেল মার্কেট”। নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদার বাইরে মানুষের শৌখিনতাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে এ পোষাপ্রাণীর বাজার।



 

 

 

ঠিকানা ও অবস্থান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫।

মার্কেটটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হওয়ায় এখানে আসার বেশ কয়েকটি রাস্তার সংযোগ ঘটেছে। ফলে যে কেউ অনায়াসে এই মার্কেটে আসতে পারে। মার্কেটটির পূর্বে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পশ্চিমে নীলক্ষেত এবং নিউমার্কেট, দক্ষিনে বুয়েট ও পলাশী রোড এবং উত্তরে হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড ও শাহবাগ এলাকা। 
 

অবকাঠামো এবং পরিবেশ

মার্কেটটি দ্বিতল বিশিষ্ট। মার্কেটটি কাটাবন সিগন্যাল থেকে নীলক্ষেত এবং ধানমন্ডি থানা পর্যন্ত দীর্ঘ। মার্কেটটির উত্তরে কাটাবল সিগন্যাল সংলগ্ন স্থানে দোতলায় ওঠার একটি সিড়ি রয়েছে, আবার এর মাঝামাঝি রয়েছে দুটি সিড়ি এবং কর্মজীবি মহিলা হোস্টেলের বিপরীতে আরেকটি সিড়ি রয়েছে।নীলক্ষেত মোড় হতে কাঁটাবন সিগন্যাল পর্যন্ত দীর্ঘ এই মার্কেটটির গঠন ধনুকের মতো বাঁকা। খোলামেলা পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের সমাহার রয়েছে এখানে। যাতায়াতের জন্য রয়েছে প্রশস্থ রাস্তা, ফুটপাত। মার্কেটটির উঠোন মূল রাস্তা থেকে উচু হওয়ায় বৃস্টির সময় মার্কেটের ভেতরে পানি প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া পানি নিস্কাশনের জন্য এখানে ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে।

 

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দোকান
 

ক্রমিক নং

দোকানের নাম, ঠিকানা এবং যোগাযোগ নম্বর

০১.

ম্যাক ট্রেডার্স

২/৪, রেজা সুপার মার্কেট, হাজী সিদ্দিক ম্যানসন, ডক্টর কুদরত-ই-খুদা রোড, এলিফ্যান্ট রোড,

ঢাকা ১২০৫।

মোবাইল: ০১৭১৮-৫৮৩০৩৫, ০১৭৪৯-৫২৫১৭৭

০২.

ফিশ একুরিয়াম

১৮, ঢাকা ইউনিভার্সিটি মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা ১০০০।

ফোন: ৮৬২৩৪১৫, ০১৭৩১-৩৬৮৪২০

০৩.

বার্ডস প্যালেস

১২, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১৫-২৫৫৭৮৩

০৪.

দি বার্ডস বিতান

৯, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১২-০৩৬৯১৫

০৫.

পিজন কর্ণার

৮, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১৬-০৫০৭৭৪

০৬.

জারা

৭, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ৯৬৬৩৪৮৪, ০১৮১৯-৪৮১৩৩৩

০৭.

দি ফ্লাই বার্ডস

২৯, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭৪১-০৩৯৪৯১

০৮.

দি সৌখিন বার্ডস

৩১, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১১৯০-৯৭৪৭০১, ০১৭৩৮-৫৭৩৯০০, ০১৯১৪-৩৩৯৩১১

০৯.

রেড সি এন্টারপ্রাইজ

৩২, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ৮৬১৮৭৮৪

১০.

ফিশ ওয়ার্ল্ড

৫৮, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১১-১২৫৫৭৩, ০১৯১৫-৮১৮২৪৫

১১.

বার্ডস লাভার কর্ণার

৬, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১৬-০৫০৭৭৪

১২.

আদি সৌখিন বিতান

৩০, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১৮-০৩৩৭৩৯

১৩.

বার্ড প্ল্যানেট

২১, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১১-১৪৫০৯৫

১৪.

দিনা একুরিয়াম

১২৭, ১২৮, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১২-৬১১৫০৯, ০১৭৩১-৮৫৬৩৭৯

১৫.

কেইজ বার্ডস

১০, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১০-৯২৪৯৪৬

১৬.

দোহার বার্ডস

২৯, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৮২৭-১৭৮১৯৩, ০১৭১৭-২৩২৭২২

১৭.

ড্রীম বার্ডস

২৬, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ৯৬৬৭৩০২, ০১৭১১-৮০৪২৪৯

১৮.

দি বার্ডস ওয়ার্ল্ড

২২, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১২-২৭৬০৬০

১৯.

বিসমিল্লাহ এ্যাকুরিয়াম সেন্টার

১৭, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ০১৯২৩-৪৯২৪১০, ০১৯১৩-২৫৮৭০৫

২০.

মত্স্য মেলা

১৬, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট, কাঁটাবন, ঢাকা।

ফোন: ৮৬১৫৫৭৪, ০১৮১৪-২৫৫০৯৭৭

যা পাওয়া যায় এখানে

বিভিন্ন মানুষের প্রাণী পোষার শখটিকে মাথায় রেখেই এ বাজারে রয়েছে পাখি, মাছ, কুকুর, বিড়াল, খরগোশ, কাছিম থেকে শুরু করে বানর পযর্ন্ত প্রায় সব ধরণের পোষা প্রাণী। তন্মধ্যে দেশি-বিদেশি বিড়াল ৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা, বিভিন্ন বিদেশী ও সংকর প্রজাতির বিড়ালও পাওয়া যায় এখানে। এদের মূল্য সাধারণত: ৫,০০০ থেকে ৬০,০০০ এর মধ্যে। তবে লালন-পালন ব্যয়বহুল হওয়ায় তারা বেশী কুকুর বা বিড়াল রাখেন না বলে বিক্রেতারা জানান। দেশি-বিদেশি মুরগী ৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা, খরগোশ ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা, প্রজাতি ও রংভেদে খরগোশ ও গিনিপিগ ২৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে এখানে পাওয়া যায়, বিলাতি ইদুর ৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা, কোয়েল পাখি ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা।

 

মাছ

ক্রমিক নং

বিবরণ

প্রজাতির সংখ্যা

মূল্য (জোড়া প্রতি)

০১.

গোল্ড ফিশ

২০

৪০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা।

০২.

এঞ্জেল

৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা।

০৩.

সোর্ড টেইল

১০

৫০ টাকা ১৫০ টাকা।

০৪.

পাপ্পি

৩০ টাকা থেকে ১০০ টাকা।

০৫.

প্যারট ফিশ

৩০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা।

০৬.

নিওন টেট্রা

৫০ টাকা থেকে ৭০ টাকা।

০৭.

কার্ডিনাল

১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা।

০৮.

খার্ফে

৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা।

০৯.

উইজ টেট্রা

৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা।

১০.

টাইগার বার্ফ

২০ টাকা থেকে ১০০ টাকা।

১১.

জাপানি কুইকাপ

২০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা।

১২.

রেড কার্প

৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা।

১৩.

ব্লাক মোড়

৫০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা।

১৪.

সিলভার এ্যারোনা

২০০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা।

এছাড়া এখানে সাধারন সামুদ্রিক মাছ ছাড়াও দূর্লভ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী যেমন কচ্ছপ, শামুক, কাকড়া, তারা মাছ প্রভৃতি পাওয়া যায়।  পোষাপ্রাণীর এ বাজারে রংবেরঙ্গের বিভিন্ন মাছের চাহিদাই সবচেয়ে বেশী। কাঁটাবনের এ শৌখিন মাছের বাজারে প্রায় ১০০-১২০ প্রজাতির অলংকারী মাছ রয়েছে। মাছের এসব প্রজাতির মধ্যে রয়েছে গোল্ডফিশ, ফাইটারফিশ, হাইফিন প্লাটি, রেমিরোজি, গ্লাস ফিশ, রুই কিং ইত্যাদি। বিক্রেতারা জানান, এখানে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের গোল্ডফিশ ৩০ টাকা জোড়া থেকে শুরু করে এক লক্ষ টাকার রেড এ্যরোনাও বিক্রয় করা হয়।

 

পাখি

ক্রমিক নং

বিবরণ

প্রজাতির সংখ্যা

মূল্য (জোড়া প্রতি)

০১.

বজরিকা

৪০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা।

০২.

ফিস

১০

৩০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা।

০৩.

লাভ বার্ড

২০

১৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা।

০৪.

পকাটেল

১০

২০০০ টাকা ৫০০০ টাকা।

০৫.

জাবা স্প্যারো

১৫০০ টাকা থেকে ৩০০০০ টাকা।

০৬.

টিয়া

২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।

০৭.

ময়না

৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা।

০৮.

কবুতর

১০

২০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা।

এছাড়া বাহারি রঙ্গীন পাখি যেমন ঘুঘু, মুনিয়া, ময়না, টিয়া, কোয়েল, তোতা কবুতর, হাঁস-মুরগীর অসংখ্য প্রজাতি রয়েছে এই বাজারে। অস্ট্রেলিয়ান পাখি লাভবার্ড জনপ্রিয় একটি প্রজাতি। রয়েছে লক্ষ্যা, সিরাজী, গোলা, গিরিবাজসহ অসংখ্য প্রজাতির কবুতর। এছাড়াও ভারতীয় পাখি স্ট্রবেরী, পাকিস্তানী পাখি ককাটেল, ম্যাকাও, গ্রেভার্ডসহ রয়েছে নানা প্রজাতির বিদেশী পাখি। বিক্রেতারা জানালেন, এসব পাখির মধ্যে সবর্নিম্ন মূল্য রয়েছে মুনিয়া পাখির, যার দাম জোড়াপ্রতি ২৫০ টাকা। আর ম্যাকাও বা গ্রেভার্ডের মতো বিদেশী পাখির মূল্য সবচেয়ে বেশী। যার দাম ২০ লক্ষ পযর্ন্ত হতে পারে। তবে শুধুমাত্র অগ্রীম নির্দেশ(অর্ডার) অনুযায়ী এই পাখিগুলো সরবরাহ করা হয়। এছাড়া লাভবার্ডের জোড়া ১০০০ টাকা থেকে ৩৫,০০০ টাকা পযর্ন্ত বিক্রয় করা হয়। দেশী পাখি বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ হওয়ায় এখানে বিদেশী পাখিই বিক্রি করা হয়। মূলত: ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও চীন থেকে এসব পাখি আমদানী করা হয়।

 

কুকুর

এখানে দেশি-বিদেশি এবং দূর্লভ প্রজাতির কুকুর পাওয়া যায়। তন্মধ্যে জার্মানী শেফার্ড, স্পেজ, ডোবার মেন, লেভরা ডগ, গোল্ডেন রিট্রিউভার, ডালমাসিয়ান, পার্ক প্রভৃতি অন্যতম। কুকুর প্রজাতি ভেদে মূল্য ৫০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত।

 

এ্যাকুরিয়াম এবং অন্যান্য

বিদেশী মাছগুলো লালন পালন করার জন্য এখানে বিভিন্ন সাইজের ছোট বাড় এ্যাকুরিয়াম পাওয়া যায়। বিভিন্ন সাইজের এ্যাকুরিয়ামের মূল্য ২০০০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা। এছাড়া এ্যাকুরিয়াম সাজানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, পাথর, অক্সিজেন, শোপিস সহ অন্যান্য সামগ্রী এখানে পাওয়া যায়। এছাড়া খাঁচা, শিকল, বেল্ট এখানে পাওয়া যায় সবসময়।

 

খাদ্য ও ঔষধ উপকরন

বাজারের এই বিপুল সংখ্যক পোষা প্রাণীর খাদ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতারা। মাছ, পশু বা পাখির প্রতিটি প্রজাতি লালন-পালন সংক্রান্ত বই পত্র এবং নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য এবং ওষুধ সামগ্রী এখানে পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রাণীর জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন রকম খাবার। পাখির খাবারের মূল্য ২০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা প্রতি প্যাকেট। কুকুরের জন্য প্রতিদিন খাওয়াতে হয় মুরগিসহ খিচুরি।মাছের খাবার পাওয়া যায় প্রতি প্যাকেট সর্বনিম্ন ৪০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পযর্ন্ত ।

 

গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা

মার্কেটটি মূল রাস্তার উপরে হওয়ায় রাস্তার পাশেই গ্রাহকগন নিজ দায়িত্বে অসংখ্য গাড়ি পার্ক করতে পারেন।

 

অগ্নি নির্বাপন ও নিরাপত্তা

মার্কেটটিতে অগ্নি নির্বাপনের নিজস্ব কোন ব্যবস্থা নেই। শুধুমাত্র নিজস্ব গার্ড বা প্রহরি রয়েছে।

 

মার্কেট পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মার্কেটটি পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করে থাকেন।

 

বিল পরিশোধ পদ্ধতি

এথানে নগদ টাকায় বিল পরিশোধ করা হয়।

 

ফুড কর্ণার

মার্কেটে আগত ক্রেতাগনের সুবিধার্থে এখানে রয়েছে টি-স্টল, ফাস্ট ফুড শপ, রেষ্টুরেন্ট এবং চাইনীজ রেস্টুরেন্ট।



তথ্যসুত্রঃ অনলাইন ঢাকা গাইড।



আরও পড়ুন...

Quick Search