পৃথিবীর ১১নিরাপদ বাসযোগ্য স্থান যেখানে যুদ্ধের ছায়া থেকে আপনি দূরে থাকেত পারেন

  • Jahangir Alam Shovon 4347 25/05/2017

পৃথিবীর ১১টি নিরাপদ বাসযোগ্য স্থান যেখানে যুদ্ধের ছায়া থেকে আপনি দূরে থাকেত পারেন

 

বিশ্বজুড়ে কখনো রক্তের হোলিখেলা, কখনো সুনামিসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগের ভয়। কখনো কখনো হতাশ হয়ে যারা দূরে কোথাও চলে যেতে চান তাদের জন্য রয়েছে চমৎকার কিছু ডেস্টিনেশন।


. আইসল্যান্ড

ছবির মতো সুন্দর এই দেশটির অবস্থান পৃথিবীর প্রত্যন্ত অংশেই বলা যায়। দেশটির অর্থনীতির অবস্থাও খারাপ নয়। প্রচুর মাছ। অতএব খাদ্যাভাব হওয়ার চিন্তা নেই। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কোনও প্রভাব পড়ার চান্স নেই।

. আইল অফ লিউইস

স্কটল্যান্ডের এই দ্বীপ মেনল্যান্ড থেকে অনেকটাই দূরে। অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো। নির্ঝঞ্ঝাট।

. আন্টার্কটিকা

শুনতে একটু বিচিত্র লাগলেও, অত্যন্ত খারাপ পরিস্থিতিতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে মন্দ নয়। শীতের কামড় থাকলেও, একটু সইয়ে নিতে পারলে অন্তত যুদ্ধের কবল এড়ানো যাবে।

. কানসাস সিটি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই শহর অতি শান্তিপূর্ণ। চাষের জমিতে ঘেরা। খাদ্যাভাব নেই। যুদ্ধের প্রকোপও পড়ার ভয় নেই।

. ইউকন

কানাডার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছবির মতো সুন্দর প্রদেশ ইউকন। গ্রাম্য জীবন, খাবারের অভাব নেই, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ।

. কেপটাউন

দক্ষিণ আফ্রিকার ধনীতম শহর। পশ্চিমী অশান্তি থেকে এই শহরকে যতটা সম্ভব দূরেই রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকারই সম্ভাবনা প্রবল।

৭. হানজালা

পাকিস্তানের কারাকোরাম প্রদেশের হানজালা নামে ছোট একটা অঞ্চল। এখানকার লোকেরা খায়না কোনো ক্যামিকেল যুক্ত খাবার। কায়িক শ্রমে চলে জীবন। রোগব্যধী তাদের নেই বললেই চলে। এখনো যুবকের মতই বৃদ্ধদের শরীর। শতাধিক বছরের বুড়ো আছে ঘরে ঘরে। হয়তো এখানে আপনি নিরাপদেই থাকতে পারেন।

৮. পেরুর জঙ্গলে

আমাজনের মতো পেরুর জঙ্গলে কোনো কোনো এলাকায় রয়েছে বিচ্ছিন্ন জনজাতির বাস। সেখানে গিয়ে আপনি হয়তো এড়াতে পারেন পৃথিবীর যাবতীয় সমস্যাকে। সম্প্রতি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে পেরুর একটি আদিম জনজাতি গোষ্ঠী. সভ্যজগত থেকে বিচ্ছিন্ন আমাজন ইন্ডিয়ান উপজাতির শাখাভুক্ত ওই গোষ্ঠীর সদস্যদের এখন প্রায়শই দেখা যাচ্ছে ফলে একটা যোগসূত্র তৈরীর সম্ভাবনাতো আছেই।

৯. নেপালের বেস ক্যাম্প

যারা পর্বতারোহন করেন তাদের জন্য সহজ হলেও বেস ক্যাম্পটি সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৫ হাজার ৩৬৪ মিটার উঁচুতে। তাই এখানে যাওয়ার জন্যই প্রয়োজন চমৎকার শারীরিক যোগ্যতা। এখানে থাকলে হয়তোবা যুদ্ধ-বিগ্রহ আপনার কাছে থেকে দুরেই থাকবে।

১০. আফ্রিকার রিফট উপত্যকা

আফ্রিকার রিফট উপত্যকার ইয়াসি লেকের পাশে বসবাস করা এই মানুষগুলো বেশ শান্তিপ্রিয়। প্রকৃতির আশীর্বাদে গত ১০ হাজার বছরের ভেতরে কোনো ধরনের মহামারী বা দুর্ভিক্ষও দেখতে হয়নি এদের। ফলে আশ্চর্যরকমভাবে কোনো ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ছাড়াই বছরের পর বছর ধরে টিকে আছে এরা পৃথিবীর মানচিত্রে। হাদজা গোত্রের মানুষের নিরাপদ জীবন যাপন করে। তার কাছাকাছি কোথাও আস্তানা গাড়তে পারলে জগতের অনেক সমস্যাই আর আপনাকে ছুতে পারবেনা।

১১. মল্টা

দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টার  প্রায় সবাই মাল্টীয় ভাষাতে কথা বলে। এছাড়াও প্রায় ৮০% লোক ইংরেজিতে কথা বলতে পারে। জনসংখ্যা ৪০ লাখ। এই দেশকে এখনি বিশ্বের নিরাপদতম দেশ বলা হয়।

সূত্র: এই সময় ও ইন্টারনেট

 



Quick Search