দায়িত্বশীল পর্যটনে নতুন সাজে কেরালার কুমারকুম

  • Jahangir Alam Shovon 2080 23/05/2017

দায়িত্বশীল পর্যটনে নতুন সাজে কেরালার কুমারকুম

 

ভারতের কেরালা রাজ্য সরকার আর টি বা রেসপন্সসিবল ট্যুরিজম ধারনাকে কাজে লাগিয়ে সেখানকার সাধারণ একটি গ্রাম কুমারকুমকে করে তুলেছি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে। কিভাবে সম্ভব হলো সেটা তাই জানাচ্ছেন জাহাঙ্গীর আলম শোভন।

কমুউনিটি ট্যুরিজমে এক নতুন ধারণা নিয়ে এবং তা বাস্তবায়ন করে সফলতার মুখ দেখেছে ভারতের কেরালা ট্যুরিজম বিভাগ। দায়িত্বশীল ট্যুরিজম নামে জনসম্পৃক্ত এই বিশেষায়িত ধারণার প্রতি দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে ট্যুরিজম বিশ্বের। ভারতবর্ষের কেরালা রাজ্যের কোট্টায়াম জিলার একটি পর্যটন গ্রাম হচ্ছে কুমারকম। কুমারকুম গ্রামে বাস্তবায়িত আর টি প্রকল্পের সাফল্যে অন্যান্য স্থানেও এটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এই গ্রামে রয়েছে কৃষক ও জেলেদের বাস। গ্রামে ছিলো কিছু অনাবাদি জমি, পতিত পুকুর, নিজস্ব কিছু ক্রাফট, পাখিদের কলকাকলী, কন্দুল বন, এখানকার মানুষ আর তাদের সদিচ্ছা। এসবকে কাজে লাগিয়ে কাজটা সেরে ফেলেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের কৃষক, সাধারণ মানুষ গৃহবর্ এমনকি ৮-১২ বছরের কিশোর কিশোরীদের সম্পৃক্ততা রয়েছে এই নতুন ধারনায়। যুগ যুগ ধরে কেরালা রাজ্যটি চিন্তাধারা ও উদ্যমের প্রায় প্রত্যেকটি ক্ষেত্রের নতুন নতুন রীতি ও মূল্যবোধগুলি আপন করে নিয়েছে। পরিবর্তন ও প্রতিস্পর্ধার প্রতি এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াই কেরালার মানুষ ও সমাজ জীবনকে স্বতন্ত্র রূপদান করেছে। এখানকার মানুষদের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে উন্নতির কারণও তাই।

কেরলীয়দের মধ্যে উচ্চমাত্রায় সচেতনতা ও রাজনৈতিক বোধ রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও কেরলীয়রা খুব সম্মানজনক অবস্থানে বিরাজ করছে সারা ভারতে। মহিলা স্বাক্ষরতায় কেরালা গোটা এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থানাধিকারী। আরএই কারণেই কেরলীয় মহিলারা তাঁদের সামাজিক ও সাংসারিক জীবনে বিশেষ সুবিধা বা অধিকার উপভোগ করে থাকেন।

দায়িত্বশীল পর্যটনের অধীনে কুমারকমে সামাজিক দায়বদ্ধতার কর্মসূচি শুরু হয় 2008 সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে। সমাজজীবনের আরও কাছে পৌঁছে যাওয়ায় ক্ষেত্রীয় উন্নয়ন ও গন্তব্যস্থলগুলির সুযোগ-সুবিধার কথাগুলি জানা সহজ হয়েছে। 

১. সুবর্ণ সাংস্কৃতিক দল

 

কুমারকুমের গৃহবধূদের মধ্যে যারা ষংস্কৃতিমনা তাদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে  এই সাংস্কৃতিক দল -সুবর্ণ সাংস্কৃতিক দল। এই দলের অন্তভূক্ত গৃহিনীরা পর্যটকদেরকে স্থানীয় থিরুভিথিরা, কোলকালি, ভাত্তাকালি  সাংস্কৃতি প্রদর্শন করেন। একদিকে স্থানীয় সংস্কৃতি অন্যদিকে ঘরের বৌদের পরিবেশনা এই দুয়ে মিলে ভিন্ন এক দোতনা ফুটে উঠে।

২. শিঙ্কারি মেলাম দল
গ্রামের শিশু কিশোরদের নিয়ে পেশাদারী শিঙ্কারি মেলাম দল গঠন করা। ৮ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এই দলটি তৈরি করা হয়। দলের সদস্যরা পর্যটন স্থানগুলোতে স্থানীয় হস্ত ও চিত্রশিল্প বিপননের কাজ করে। হস্তশিল্প ও চিত্রশিল্প বিভাগগুলি লাভের মুখ দেখছে এবং এর সঙ্গে স্মারক সামগ্রীগুলির উন্নয়ন ও বিপণনের কাজও চলছে। এই দলের কাছ থেকে সুভ্যেনির কিনতে পর্যটকরা আনন্দবোধ করে।

 

৩. গ্রামীণ পর্যটন

এখানকার প্রান্তিক মানুষের জীবন যাডন কেমন, সেটা জানাতে দুটি প্যাকেজ চালু করা হয়েছে।এক. কুমারকমে গ্রাম্য জীবনের অভিজ্ঞতা, দুই- কৃষকদের সঙ্গে একটি দিন। বলা বাহুল্য গ্রামীন ও কৃষিভিত্তিক পর্যটনের কথা মাথায় রেখে এই দুটি প্যাকেজ ডিজাইন করা হয়েছে। এই প্যাকেজের জনপ্রিয়তার কারণে কতৃপক্ষ এরকম আরো প্যাকেজ তৈরীর কথা ভাবছে। সবচেয়ে বড়ো কথা এর থেকে উপার্জিত অর্থ সংশ্লিস্টরাও পেয়ে থাকে।

 

৪. তথ্য সম্পৃক্ততা

যেকোনো পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো তথ্যপ্রাপ্তি। ভ্রমণ স্থানের নানারকম বিবরণ সেই সাথে খাদ্য, আবাস ও যোগাযোগ সম্বলিত তথ্য পর্যটকদের চাই। জনসম্পৃক্ত একটি ধারণার নাম হলো উৎসব পঞ্জিকা, যেটি আগত অতিথিদের এখানকার বিভিন্ন স্থানের  উৎসব মেলাগুলি সেইসাথে তার ইতিহাস সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেয়। কোন স্থানের স্থানিক রূপরেখা, স্থান সংক্রান্ত তথ্যপত্র ও সম্পদের মানচিত্রায়ন সেই স্থান সম্পর্কে যেখষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে এবং সেই সঙ্গে পর্যটনের সুযোগেরও সন্ধান দিতে পারে। আর এজন্য সুন্দর উপস্থাপনার পাশাপাশি রয়েছে স্থানীয়দের সম্পৃক্ততা।

 

৫. পক্ষসমূহের অংশগ্রহণ

হোটেল বা রিসোর্ট মালিকদের সহযোগিতায় সাড়ে বারো লাখ টাকা সংগ্রহ করে খরচ করা হয়েছে সেখানকার পানীয় জলের সমস্যা দূর করার জন্য, শুধুমাত্র সরকারের বরাদ্দের দিকে চেয়ে বসে থাকেনি। এটা একই ভাবে কমুউনিটি ট্যুরিজম এবং রেসপন্সিবল ট্যুরিজমের দায়বদ্ধতার একটি উদাহরন। এসব তথ্য সম্পর্কে স্থানীয় জনগন কতটা ওয়াকিবহাল তা জানতে সরকানর এলাকার ৪৬৩ টি বাড়িতে লোকদের কাছে এখানকার বিভিন্ন পর্যটন স্থান সম্পর্কে সচেতনতা জরিপ করেছিলো এবং ২৮৩ টি বাড়িতে চালানো সামাজিক জরিপ চালানো হয়। এগুলো পরে বেশ কাজে আসে। এতে করে জনসাধারণ ব্যাপক সচেতন ও সাবধানী হয়ে যায়।  

 

 

 ৬. পরিবেশগত দায়বদ্ধতা

একটা চ্যালেঞ্জ ছিলো- সেটা হলো গ্রামের সাদামাটা প্রান্তিক পরিবেশকে পর্যটন বান্ধব পরিবেশে রুপান্তর করা তাও আবার এর মৌলিক এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজার রেখে। এজন্য বেশকিছু সমীক্ষা চালাতে হয়েছে নিতে হয়েছে কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

 

যেমন রাস্তায়  আলো বা বাতির কাজ শেষ হয়েছে, শিল্পের উপর একটা সমীক্ষা চলছে, ইতোমধ্যে পুরনো ময়লা পরিষ্কার করে কুমারকুমকে প্লাস্টিক মুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে এবং বিকল্প ও পরিবেশ-বান্ধব পণ্যসামগ্রী ব্যবহার করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বৃক্ষায়ন এর আওতায় বাদাবন সংরক্ষণ কর্মসূচি চলছে, ক্যামিক্যাল ও সার পরিহার করে জৈব কৃষিকাজ শুরু হয়েছে, হোটেল ও আবাসিকে সবুজের চর্চা শুরু রয়েছে এবং বর্জ্যশূন্য কুমারকম প্রকল্প শুরু হয়েছে। এতে পুরো কুমারকমে কোথাও যত্রতত্র ময়লা থাকা চলবেনা। আর বিশেষ করে এলাকার সম্পদের মানচিত্রায়ন সম্পূর্ণ  হয়েছে, যাতে দেখানো রয়েছে এলাকার কোথায় কোন সম্পদ ও সুবিধা রয়েছে।

 

৭. স্থানীয় স্মারক সামগ্রী

পর্যটকেরা যখন কোনো দেশ দেখতে যান তখন তারা সেখানকার উৎপাদিত পন্য খোজ করেন যাতে সে এলাকার সংস্কৃতি, ইতিহাস, শিল্প-কলা এবং ধর্মীয়-সামাজিক জীবনের প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত হয়।

কেরালার স্মারক সামগ্রী এসব নানা উপাদানে ভরে রয়েছে যেমন, আরানমুলা কন্নদি  নামের ধাতব আয়না; নারকোলের মালা, কাঠ, কাদামাটি এবং বেতের তৈরি হস্তশিল্প সামগ্রী; প্রাচীর চিত্র এবং কাসাভূর নামে সোনালী জরির কাজ করা শাড়ি ও বিভিন্ন তন্তুজ সামগ্রী।

কেরালায় সুভেনির কিনতে চাইলে নানা অপশন রয়েছে- স্মৃতিচিহ্ন কিনতে চাইলে উরুলি  নামের হাতের কাজ করা শোপিস।  পারা নামের ক্ষুদ্র পিতলের পাত্র, কেত্তুভল্লম  নামে চালের বজরা, আরানমুলা কন্নদি নামের ধাতব আয়না, নেত্তিপাট্টম  নামে হাতির সাজ-সজ্জা সামগ্রী, নেত্তূর পেত্তি  নামে পুরনো আমলের  গহনা এমন আরো অনেক কিছু।  

৮.  অনাবাদী জমি আবাদ

 

কুমারকমের কৃষিভিত্বিক দায়িত্বশীল পর্যটনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পতিত জমিগুলিকে কৃষিকাজের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা।  এতে সৌন্দর্য এবং অর্থ দুটোই আসবে।  একর পতিত জমিকে সব্জি ও ভেষজ গাছপালা চাষের ক্ষেত্র করে তোলা হয়েছে। এই আইডিয়া ভালো কাজ করেছে এখান থেকে লাভও আসছে। ফলে আশপাশের এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই কাজ।

 

৯.  কন্দল কাদুর পরিচর্যা

 

বাদাবন বাকন্দল কাদু যা এখানকার প্রাকৃতিক বন। এই বনটিকে তৈরী করা হয়েছে ট্যুরিস্ট গন্তব্যস্থান হিসেবে। এই বনের পরিচর্যায় এখানকার কন্দলাম্মাচ একটি আদিবসীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।  প্রতিটি বাড়িতেই কন্দলের বীজ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বেশী করে কন্দল গাছ লাগানোর জন্য।

 

১০.  মৎসচাষ

 

এই অঞ্চলের পতিত বা অব্যবহুত জলাশয়গুলির উপর একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল।  যাতে এগুলোর সংখ্যা সাইজ ও পতিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষন করা হয়েছে পরে এসব জলাশয়গুলিতে মাছ ও পদ্মফুলের চাষ শুরু করা হয়েছে। এখানে উৎপন্ন মাছ হোটেলগুলিতে খাদ্য হিসেবে পরিবেশন করা হয় এবং পদ্মফুলগুলিকে গন্তব্যে আসা পর্যটকদের আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। একদিকে যেমনি হোটেলে পর্যটকদের জন্য স্থানীয় খাবার হিসেবে মাছ সরবরাহ করা হয় অন্যদিকে স্থানীয় সংস্কৃতির রুপ হিসেবে ট্যুরিস্টদের পদ্শফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।

 

১১. সৌন্দর্যবর্ধন

বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের কাজটিকে সেরে ফেলা হয়েছিল এজন্য হোটেল এবং রিসোর্টগুলোকে কাজে লাগানো হয়েছিলো। ফলে অঞ্চলটি পরিবেশ-বান্ধব হয়ে ওঠে। পর্যটন শিল্পের অংশীদারী বিভিন্নপক্ষ মেন, হোটেল মালিক, রেস্তোঁরা মালিক, ভ্রমণ পরিচালক, ভ্রমণ-প্রতিনিধি, স্মারক সামগ্রী বিপণীর মালিক, পর্যটন দ্রব্য সরবরাহকারী, বিভিন্ন ধরনের সংস্থাগুলি, স্থানীয় স্বশাসনের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, NGO/CSO-গুলি, সরকারি আধিকারিক, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম প্রভৃতির তরফে সম্পূর্ণ নিবিষ্ট চিত্তে কাজ করার ফলস্বরূপ দু’বছরের মধ্যেই যথেষ্ট সাফল্যের মুখ দেখা গেছে।

১২. পাখি অভয়ারন্য ভিত্তিক পর্যটন

পাখিরালয়গুলিকে কেন্দ্র করে পর্যটন গড়ে তোলার ব্যপক সম্ভাবনার কথা উপলব্ধি করেছে কেরালা সরকার, এগুলোকে দায়িত্বশীল পর্যটনের সাথে যুক্ত করে কার্যকরী ব্যবস্থা গৃহণ করেছে। পাখিদের জীবনের উপর অধ্যয়ন করা, পাখিদের সংখ্যার উপর সমীক্ষা চালানো, পাখিদের সম্বন্ধে তথ্য প্রদান, দর্শনার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করা এবং পাখি দেখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তদারক করা ইত্যাদির মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থাটিকে কার্যকরীভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। 

এই পাখিরালয়ের বৈশিষ্ট্য হলো- এখানকার পাখিরালয় 91টি প্রজাতির স্থানীয় ও 50টি প্রজাতির পরিযায়ী পাখির বাসস্থল। 1970 ও 80-এর দশকে কালো সারসের একমাত্র প্রজনন ক্ষেত্র। বিভিন্ন প্রজাতির মাছেদের প্রতিপালন ও প্রজনন ক্ষেত্র। একাধিক প্রজাতির গরান গাছ, যাদের মধ্যে কয়েকটি শুধুমাত্র কুমারকমেরই প্রজাতি।

১৩. সাইকেলে চড়ে ভ্রমণ

পর্যটন প্যাকেজের মধ্যে সাইকেলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাইকেল চালিয়ে ঘোরার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা পর্যটকদের আকর্ষিত করে এবং এটি উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। হোটেল ও পর্যটকাবাসগুলি সাইকেল ভাড়া দেয় এবং এটিও এখন একটি ভাল ব্যবসার পসরায় পরিণত হয়েছে।

 

সরকারের দায়

কুমারকমের আদিবাসী অঞ্চলগুলিতে দায়িত্বশীল পর্যটন পরিবেশগত উন্নয়নের পথকে সুগম করেছে। সড়ক সমীক্ষা ও রাস্তার আলোর সমীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে এবং সরকারের তরফে দ্রুততার সঙ্গে হস্তক্ষেপের ফলে সমস্যার সমাধান হয়েছে। RT কর্মসূচির অংশ হিসেবে আরেকটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে, আর তা হল, প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও পরিষ্কারের কাজ। এই অঞ্চল থেকে প্লাস্টিকের থলে পুরোপুরি দূর করার জন্য কঠোর আইন লাগু করা হয়েছে। সমৃদ্ধি কার্যকলাপ দলের মাধ্যমে কাপড়ের ও কাগজের থলে ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হয়েছে। কুমারকমকে বর্জশূন্য করে তোলার জন্য গৃহীত কর্মসূচি বর্জ্যশূন্য কুমারকম তার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

দায়িত্বশীল পর্যটনের ধারণাকে কাজে লাগানোর ব্যাপারে এ রাজ্যের সর্বপ্রথম পর্যটন কেন্দ্র হল কুমারকম এবং নিজের সাফল্যের কাহিনী সারা বিশ্বকে শুনিয়ে, এই স্থানটি এখন পর্যটন ক্ষেত্রে একটি আইকনে পরিণত হয়েছে।

তথ্য: https://www.keralatourism.org