সেন্ট মার্টিন দ্বীপ - নীল জলরাশির খেলা

  • Mohammad Emran 7346 17/01/2016

সেন্টমার্টিন্দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।

                    

কবে প্রথম এই দ্বীপটিকে মানুষ শনাক্ত করেছিল তা জানা যায় না। প্রথম কিছু আরব বণিক এই দ্বীপটির নামকরণ করেছিল জিঞ্জিরা। উল্লেখ্য এরা চট্টগ্রাম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যাতায়াতের সময় এই দ্বীপটিতে বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করতো। কালক্রমে চট্টগ্রাম এবং তৎসংলগ্ন মানুষ এইদ্বীপটিকে জিঞ্জিরা নামেই চিনতো।১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে কিছু বাঙালি এবং রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ এই দ্বীপের বসতি স্থাপনের জন্য আসে। এরাছিল মূলত মৎস্যজীবি। যতটুকু জানা যায়, প্রথম অধিবাসী হিসাবে বসতি স্থাপন করেছিল ১৩টি পরিবার। এরা বেছে নিয়েছিল এই দ্বীপের উত্তরাংশ।

                  

কালক্রমে এই দ্বীপটি বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় পরিণত হয়। আগে থেকেই এই দ্বীপে কেয়া এবং ঝাউগাছ ছিল। সম্ভবত বাঙালি জেলেরা জলকষ্ঠএবং ক্লান্তি দূরীকরণের অবলম্বন হিসাবে প্রচুর পরিমাণ নারকেল গাছ এই দ্বীপে রোপণ করেছিল। কালক্রমে পুরো দ্বীপটি একসময় 'নারকেল গাছপ্রধান' দ্বীপে পরিণত হয়। এই সূত্রে স্থানীয় অধিবাসীরা এই দ্বীপের উত্তরাংশকে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে অভিহিত করা শুরু করে। ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দেরদিকে ব্রিটিশ ভূ-জরীপ দল এই দ্বীপকে ব্রিটিশ-ভারতের অংশ হিসাবে গ্রহণ করে। জরীপে এরা স্থানীয় নামের পরিবর্তে খ্রিষ্টান সাধু মার্টিনেরনামানুসারে সেন্ট মার্টিন নাম প্রদান করে। এরপর ধীরে ধীরে এই অঞ্চলের বাইরের মানুষের কাছে, দ্বীপটি সেন্ট মার্টিন নামেই পরিচিত লাভ করে।

                     

দ্বীপটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটন মৌসুমে এখানে প্রতিদিন ৫টি লঞ্চ বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড হতে আসা যাওয়া করে। সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপেবর্তমানে বেশ কয়েকটি ভালো আবাসিক হোটেল রয়েছে। একটি সরকারি ডাকবাংলো আছে। সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল।

পরিষ্কার স্বচ্ছ পানি। কোথাও নীলাভ রং, কোথাও বা হালকা সবুজ আভা। যত দূর চোখ যায়, পানির নিচের সবকিছুই স্পষ্ট। এ এক অপূর্ব দৃশ্য। কখনো বা বিভিন্ন রঙের ডোরাকাটা রঙিন মাছ দেখা যাচ্ছে, কখনো বা সবুজ কোরাল, ব্রেইল কোরাল উঁকি দিচ্ছে। ভাগ্য ভালো থাকলে বাংলা চ্যানেলের আশপাশে ডলফিন কিংবা জেলি ফিশের দেখাও মিলে যেতে পারে। নভেম্বর থেকে মার্চ, এই সেন্ট মার্টিনেই কচ্ছপের ডিম পাড়া দেখা যায়। দ্বীপের মূল অংশেই ছোট ছোট কচ্ছপের খুদে পায়ে সাগরের দিকে এগিয়ে যাওয়া দেখতে পাবেন। তবে এ সময় ধৈর্য ধরে চুপ হয়ে থাকতে হবে। সময়টা হলো খুব ভোরে অথবা সন্ধ্যায়।

                     

স্কুবা ডাইভিং ও স্নোরকেলিং দুটোই করা যাবে। পানির গভীরে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পুরোদস্তুর তৈরি হয়ে তবেই স্কুবা ডাইভিং করা যাবে। এ জন্য সাঁতার জানতেই হবে। অন্য দিকে স্নোরকেলিংয়ের জন্য অতটা প্রস্তুতির দরকার নেই। লাইফ জ্যাকেট এবং চোখ ও নাক ঢাকার মাস্ক হলেই চলবে। পানির খুব একটা গভীরেও যেতে হবে না। হেঁটেই পানির নিচে সব কিছু দেখতে পারবেন। সাঁতার না জানলেও চলে। তবে স্নোরকেলিংয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা হলো ছেঁড়াদ্বীপ। এর জন্য সেন্ট মার্টিন থেকে ট্রলারে করে যেতে হবে ছেঁড়াদ্বীপে।

                    

সেন্টমার্টিন - ছেঁড়া দ্বীপ প্যাকেজ

কক্সবাজার সেন্টমার্টিন বাই বাস

কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন প্যাকেজ:
মূল্য:      জনপ্রতি  ৬,৯০০/ = টাকা, ঢাকা কক্সবাজার ঢাকা (ননএসি বাস)
কাপল দের জন্য  জনপ্রতি  ৭,৮০০/=

 ভ্রমণ সময়: ৩ দিন, ২রাত  + ২রাত গাড়ীতে

ভ্রমণ সূচী:

শুভ যাত্রা: ২৮ ডিসেম্বর রাত দশটায়, কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ।  

রিপোটিং: রাত ৯টায়, ফকিরাপুল।

প্রথমদিন: ২৯ ডিসেম্বর, সকালে কক্সবাজার ও সৈকতে ঘোরা নিজ দায়িত্বে। বিকেলে হিমছড়ি ও ইনানী ভ্রমণ। (প্যারাসেইলিং নিজ দায়িত্বে) রাতে শপিং।
দ্বিতীয় দিন: ৩০ ডিসেম্বর, ভোর ৫টায় টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা। টেকনাফ থেকে জাহাজে সেন্টমার্টিন। দুপুর ২টায় সেন্টমার্টিন পৌছে লাঞ্চ। বিকেলে সেন্টমাটিন দেখা, বারবিকিউ ও কালচারাল কম্পিটিশিান, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন।

তৃতীয় দিন: ৩১ ডিসেম্বর, সকালে সূর্যোদয় দেখা, দুপুরে সৈকতে সানবাথ(নিজ দায়িত্বে স্কুবা ডাইভিং, ছেড়া দ্বীপ ভ্রমণ), ৩টায় সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ বিকেলে টেকনাফ থেকে ঢাকায় ফেরা।
০১ জানুয়ারী সকালে ঢাকায় পৌঁছা।

হোটেল রুম:  ডিলাক্স, নন এসি রুম (শেয়ারিং)

খাবার: ২৯,৩০,৩১ তিন লাঞ্চ, তিন ডিনার, তিন স্ন্যাক্স

এছাড়া থাকবে বিশেষ উপহার।

বুকিং দেয়ার শেষ তারিখ: ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭।

** পরামর্শ

-অবশ্যই অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র সাথে আনবেন।

-যথাসম্ভব হালকা ব্যাকপ্যাকে ৩ দিন এর জন্য কাপড় চোপড় সাথে নেবেন। সাগরে নেমে গোসল করতে চাইলে বাড়তি কাপড় সাথে নেবেন। যারা প্যারাসেইলিং করবেন তারা মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন। আপনার ভোটার আইডি কার্ড বা পাসপোর্টের ফটোকপি নিতে ভুলবেন না। এটা হোটেলে জমা দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

শিশু ইস্যু
০-৩ বছর :কোন খরচ লাগবেনা (বাবা মার সাথে থাকবে, বাসে বাবা মার সাথে বসবে, আলাদা খাবার পাবেনা )
৪-১০ বছর : ৫,৭০০ টাকা জনপ্রতি (বাসে আলাদা সীট, বাবা মার সাথে থাকবে হোটেলে, আলাদা খাবার পাবে )
 

বুকিং নিয়ম
প্যাকেজের পুরোটাই অগ্রিম বুকিং দিতে হবে।

বিকাশ করতে পারেন:‎01856745152(personal)

কনটাক্ট নাম্বার: 01811480834

ব্যাংক:  একাউন্ট: Tour.com.bd  A/C No:  1512203027806001 BRAC  bank

সরাসরি ‍অফিসে এসে বুকিং দিতে পারেন:
ঠিকানা:  
Arma Majeda Malik Tower,(3rd Floor)
Holding No# KHA-215,
Progati Saroni Road,
Merul Badda, Dhaka-1212.

ভ্রমন প্যাকেজ সম্পর্কে জানতেঃ ০১৮১১৪৮০৮৩২, ০১৮১১৪৮০৮৩৩



আরও পড়ুন...