ইনানীর সৈকতে বন- বনানীর ছায়া 19/09/2016



ইনানীর সৈকতে বন- বনানীর ছায়া

 

ইনানীর নাম আমরা সবাই শুনেছি। ইনানী মানে হলো কক্সবাজারের আরেকটা সুন্দর সমুদ্র সৈকত। ইনানীর এতটুকু তথ্য আমরা সকলে জানি। আবার কেউ কেউ এটাও জানি যে কক্সবাজারের ইনানীতে রয়েছে সমুদ্র সৈকতে সেন্টমার্টীন এর মতো প্রবাল পাথর। কিন্তু খুব কম লোকই জানেন যে, ইনানী একটু সুন্দর পাহাড়ী বন রয়েছে। এখানে হাতি বানরসহ নানা প্রজিাতির প্রাণী গাছগাছালী দ্বারা পুরিপূর্ণ এই বন। পায়ে  হেঁটে দেশভ্রমনের সময় ওখানে গিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম শোভন। তার লেখনী থেকে জেনে নিন। ইনানীর বন বনানী সম্পর্রকে

ইনানী একটি  জাতীয় উদ্যান। এখানে বনবিভাগের একটি অফিস রয়েছে। রয়েছে যেকোনো পিকনিক অনূষ্ঠান আয়োজনের যাবতীয় ব্যবস্থা। এডভেঞ্ছার প্রিয় ভ্রমণকারীদের জন্য রয়েছে বনের ভেতর চার কিলোমিটার গিরিপথে ট্রেইলিং এর সুবিধা। বর্ষায় এই পথে একটু পানি জমে থাকে বৃষ্টি হলে তখন অন্যরকম মজা হয়। পাহাড়, গিরিপথ আর সবুজ গাছে ঘেরা এই বনের  আয়তন ২৯৩৩.৬১ হেঃ। এখানকার বনের প্রকৃতি হলো ক্রান্তিয় চিরহরিৎ বন। 

এখানে রয়েছে ৩১৭ প্রজাতির গাছপালা ও লতাগুল্ম আছে ৩১৬ জাতের জীববন্তু।  এই বনটি মূলতঃ এখানকার অনন্য বৈশিষ্ট সম্পন্ন প্রাকৃতিক বন, দৃষ্টি নন্দন জলপ্রপাত ও মনমোহিনী প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে রক্ষা ও ইকো ট্যুরিজম উন্নয়ন কল্পে প্রতিষ্ঠিত।  উদ্যানটিতে প্রায় ২০০ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। হাতি এখানে প্রায় সময় দেখা যায়। এখানে স্থানীয় বসতি দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা বন থেকে ফল সংগ্রহ করে, লাড়কির যোগান নেয় ফলে এখানে বন্যপ্রানীদের আশ্রয় ও খাবারের সংকট দেখা দিলে কখনো কখনো বানর ও হাতিরা লোকলয়ে প্রবেশ করে। 

ইনানীতে এলে আপনি পাবেন নিরিবিলি এক পরিবেশ। কক্সবাজারে এসে যারা ভিড় এড়িয়ে থাকতে চান তাদের জন্য ইনানী বেশ পছন্দের। এখানে গত কয়েকবছরে বেশ কয়েকটি প্রথমশ্রেনীর রিসোরট গড়ে উঠেছে। চাইলে থাকতে পারবেন। এখানে ভিড়বাট্টা কম শুধু তাই নয়। এখানে বিস্তৃত সৈকত যেকোনো বিচ গেমস এর জন্য আদর্শ। 

You might like