নীল আকাশে সাদা মেঘের খেলা(টাংগুয়ার হাওড়) 30/07/2016



কতটা সুন্দর আমাদের এই দেশ তা আসলে ঘুরে না দেখলে বোঝা মুশকিল । গ্রাম বাংলার হাওড় আর তার জলরাশি যেন প্রকৃতিকে সাজিয়ে তুলেছে অপার মহিমায় । আপনারা অনেকেই সুনামগঞ্জের বিশাল টাংগুয়ার হাওরের কথা শুনেছেন। যেখানে আনাগোনা করে শ্রাবণের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা।

সে মেঘ কখনো কখনো জমাট-আবার কখনো হালকা বাতাসে দলছুট হয়ে পাগলা ঘোড়ার মত উত্তরে দাঁড়ানো আকাশছোঁয়া বিশাল খাসিয়া পাহাড়ে গিয়ে আঁছড়ে পড়ছে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য পাহাড় ও হাওরের জলরাশি তার নিচে জলজ উদ্ভিদ দেখতে হাজারো পর্যটক ছুটে চলেছেন, ঘুরছেন টাংগুয়ায়।টাংগুয়ায় বর্ষায়  এক রূপ,  শীতে অন্যরূপ।এই ভরা বর্ষায় হাওরের নীল পানিতে অর্ধডোবা হিজল-করছ গাছের পরশে কেউবা নৌকায়, কেউবা স্পিডবোটে ঘুরছেন আপন মনে বৃক্ষলতার সাথে মিতালী করতে করতে।

বর্ষায় বিশাল হাওরে সাগরের মত ঢেউ। শীতকালে কুয়াশা ঢাকা প্রান্তরে অতিথি পাখির কলকাকলী। এক নয়নাভিরাম দৃশ্যপটের আবির্ভাব।হাওরটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বকোণে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলা জুড়ে। উত্তরে রয়েছে ভারতের মেঘালয় রাজ্য। হাওরটির আয়তন প্রায় ৪ হাজার একরের মত । বর্ষাকালে এর আয়তন দাঁড়ায় ২০ হাজার একরের বেশি। শীত যত বাড়ে অতিথি পাখির আগমনও বাড়ে।

টাঙ্গুয়ার হাওর যেতে হলে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত হতে চলে আসুন সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ এসে আপনি আরেকটি ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখতে পাবেন, আর সেটি হল হাসন রাজার বাড়ি । তবে এই বাড়ি দেখতে হলে আপনাকে রাতে সুনামগঞ্জ এক রাত কাটাতে হবে । আর এছাড়াও রাতের বেলা সুরমা নদীর অপরূপ দৃশ্যও দেখে নিতে পারেন। নদীর এই দৃশ্য দেখে পরদিন সকালে হাছন রাজার বাড়ী দর্শন করে চলে আসুন আব্দুজ জুহুর সেতুতে। সেখান থেকে আপনি আপনার পছন্দমত বাহনে চেপে চলে যান তাহিরপুর, সময় লাগবে কম বেশি দুই ঘন্টা। যেতে পথে আপনি দেখতে পাবেন শাহ আরেফিনের মাজার , বারেকেরটিলা , যাদু কাটা নদী , লাউরের গর, ইন্ডিয়ার বর্ডার সংলগ্ন অপরূপ কিছু ঝর্না।

আপনার ভ্রমণকে আনন্দদায়ক করতে আমরা আপনার সাথে আছি।

Visit us on Facebook for excellent tour packages https://www.facebook.com/

Visit us on Facebook for excellent tour packages http://tour.com.bd/

You might like