সিলেট জেলার নবীনতম আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্য 20/06/2016



সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তে অসাধারণ ১টি ভ্রমণের জায়গা উৎমাছড়া । সিলেট জেলার নবীনতম এ ভ্রমণ-গন্তব্যটি একেবারেই মেঘালয় পাহাড়ঘেষা ।বর্তমানে এই জায়গাটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । পাথর বিছানো প্রান্তরের উপরে বয়ে চলা আয়নার মত স্বচ্ছ পানি পাহাড়ের শরীর বেঁয়ে নেমে এসেছে বড় বড় পাথরের গায়ে। গুড়ি গুড়ি জলকনা দিয়ে প্রকৃতি অপার হস্তে সাজিয়েছে এই সিলেটকে, নান্দনিক সৌন্দর্য্যরে এক কল্পিত রাণী যেন সিলেট। আর উৎমাছড়া হচ্ছে সিলেটের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণবিন্দুতে পরিণত হয়েছে । তাই সময় পেলেই বেরিয়ে পরুন প্রকৃতির অপরুপ রুপের সুধা পান করতে । উৎমাছড়া আপনাকে দু’হাত প্রসারিত করে আলিঙ্গন করবে আশ্চর্য এক ভালবাসার পরশ নিয়ে । সম্মোহনী শক্তি তার অসীম ।   

বিছানাকান্দির মতই সারি সারি নীল পাহাড়ের কোলে পাথর বিছানো বিস্তৃত এলাকার দেখা মিলবে এখানে । উৎমাছড়াকে বলা হচ্ছে নতুন বিছানাকান্দি । দেখলে বিশ্বাস করতে চাইবে না আপনার দু চোখ । এতোদিনে বিছনাকান্দি হয়তো আপনাদের ঘুরে আসা হয়েছে অনেকবার। এবার ঘুরে আসতে পারেন বিছনাকান্দির চেয়েও সুন্দর নতুন আরেকটি পর্যটন কেন্দ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্যে শোভিত অপরূপ এই লীলাভূমির নামই হচ্ছে উৎমাছড়া ।  গরমের অস্বস্তি থেকে প্রকৃতির কোলে শান্তি পেতে চাইলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন উতমাছড়া থেকে।



সিলেটের মানুষের কাছে জায়গাটি অপরিচিত হলেও এখানে আপনি পেতে পারেন প্রকৃতির মনোরম লাবণ্যের স্পর্শ। একে জীবন-যাপনের যাবতীয় ক্লান্তি বিসর্জনের জন্য চমৎকার যায়গা বললেও বরং কম হয়ে যায়।

যে দিকেই  যাবেন শুধু পাথর আর পাথর । সে সব পাথরের কোনোটাতে মোটা ঘাসের আস্তরণ, আবার কোনোটা বা ধবধবে সাদা।



কিভাবে যাবেন?
উৎমাছড়ার এমন সৌন্দর্য বরষা চলে গেলে বা পানি কমে গেলে আর থাকেনা । তখন এটা একটা মরুদ্যান মতো লাগে। পাথর বহন করার জন্য এখানে চলে অজস্র ট্রাক আর ট্রাকটর। সুতরাং অক্টোবর পর্যন্ত বিছনাকান্দি যাবার মোক্ষম সময়। মন চাইলে এখনি চলে যেতে পারেন।
ঢাকার গাবতলি, সায়দাবাদ, ফকিরাপুল ও মহাখালি বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ছেড়ে যায় এসি এবং নন এসি সিলেটের বাস । ভাড়া ৮০০ থেকে ১১০০ এর মধ্যেই । তবে এনা পরিবহনে ৪০০ থেকে ৫০০ এর মদ্ধেই হয়ে যাবে ।


সিলেটের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সরাসরি সিএনজিযোগে যাওয়া যায় দয়ারবাজারে। রাস্তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় ৩৫ কি.মি. দুরের এই জায়গার ভাড়া জনপ্রতি ১৬০-১৮০ টাকা। আর দয়ারবাজার থেকে আবার সিএনজিযোগে আপনাকে যেতে হবে চড়ারবাজারে। এই ৮ কি.মি রাস্তা যাওয়ার জন্য জনপ্রতি ভাড়া গুনতে হবে ২৫-৩০ টাকা । চড়ারবাজার থেকে হেটে উৎমাছড়া মুল স্পটে যেতে সময় লাগবে ১০-১৫ মিনিট।

বিছানাকান্দি থেকে হেঁটে সীমান্তঘেঁষে পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে গেলেও উৎমাছড়ায় পৌঁছানো যাবে ।

সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তে অসাধারণ ১টি ভ্রমণের জায়গা উৎমাছড়া । সিলেট জেলার নবীনতম এ ভ্রমণ-গন্তব্যটি একেবারেই মেঘালয় পাহাড়ঘেষা ।বর্তমানে এই জায়গাটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । পাথর বিছানো প্রান্তরের উপরে বয়ে চলা আয়নার মত স্বচ্ছ পানি পাহাড়ের শরীর বেঁয়ে নেমে এসেছে বড় বড় পাথরের গায়ে। গুড়ি গুড়ি জলকনা দিয়ে প্রকৃতি অপার হস্তে সাজিয়েছে এই সিলেটকে, নান্দনিক সৌন্দর্য্যরে এক কল্পিত রাণী যেন সিলেট। আর উৎমাছড়া হচ্ছে সিলেটের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণবিন্দুতে পরিণত হয়েছে । তাই সময় পেলেই বেরিয়ে পরুন প্রকৃতির অপরুপ রুপের সুধা পান করতে । উৎমাছড়া আপনাকে দু’হাত প্রসারিত করে আলিঙ্গন করবে আশ্চর্য এক ভালবাসার পরশ নিয়ে । সম্মোহনী শক্তি তার অসীম ।   

বিছানাকান্দির মতই সারি সারি নীল পাহাড়ের কোলে পাথর বিছানো বিস্তৃত এলাকার দেখা মিলবে এখানে । উৎমাছড়াকে বলা হচ্ছে নতুন বিছানাকান্দি । দেখলে বিশ্বাস করতে চাইবে না আপনার দু চোখ । এতোদিনে বিছনাকান্দি হয়তো আপনাদের ঘুরে আসা হয়েছে অনেকবার। এবার ঘুরে আসতে পারেন বিছনাকান্দির চেয়েও সুন্দর নতুন আরেকটি পর্যটন কেন্দ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্যে শোভিত অপরূপ এই লীলাভূমির নামই হচ্ছে উৎমাছড়া ।  গরমের অস্বস্তি থেকে প্রকৃতির কোলে শান্তি পেতে চাইলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন উতমাছড়া থেকে।



সিলেটের মানুষের কাছে জায়গাটি অপরিচিত হলেও এখানে আপনি পেতে পারেন প্রকৃতির মনোরম লাবণ্যের স্পর্শ। একে জীবন-যাপনের যাবতীয় ক্লান্তি বিসর্জনের জন্য চমৎকার যায়গা বললেও বরং কম হয়ে যায়।

যে দিকেই  যাবেন শুধু পাথর আর পাথর । সে সব পাথরের কোনোটাতে মোটা ঘাসের আস্তরণ, আবার কোনোটা বা ধবধবে সাদা।



কিভাবে যাবেন?
উৎমাছড়ার এমন সৌন্দর্য বরষা চলে গেলে বা পানি কমে গেলে আর থাকেনা । তখন এটা একটা মরুদ্যান মতো লাগে। পাথর বহন করার জন্য এখানে চলে অজস্র ট্রাক আর ট্রাকটর। সুতরাং অক্টোবর পর্যন্ত বিছনাকান্দি যাবার মোক্ষম সময়। মন চাইলে এখনি চলে যেতে পারেন।
ঢাকার গাবতলি, সায়দাবাদ, ফকিরাপুল ও মহাখালি বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ছেড়ে যায় এসি এবং নন এসি সিলেটের বাস । ভাড়া ৮০০ থেকে ১১০০ এর মধ্যেই । তবে এনা পরিবহনে ৪০০ থেকে ৫০০ এর মদ্ধেই হয়ে যাবে ।
সিলেটের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সরাসরি সিএনজিযোগে যাওয়া যায় দয়ারবাজারে। রাস্তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় ৩৫ কি.মি. দুরের এই জায়গার ভাড়া জনপ্রতি ১৬০-১৮০ টাকা। আর দয়ারবাজার থেকে আবার সিএনজিযোগে আপনাকে যেতে হবে চড়ারবাজারে। এই ৮ কি.মি রাস্তা যাওয়ার জন্য জনপ্রতি ভাড়া গুনতে হবে ২৫-৩০ টাকা । চড়ারবাজার থেকে হেটে উৎমাছড়া মুল স্পটে যেতে সময় লাগবে ১০-১৫ মিনিট।

বিছানাকান্দি থেকে হেঁটে সীমান্তঘেঁষে পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে গেলেও উৎমাছড়ায় পৌঁছানো যাবে ।

Call us 01811480833, 01811480832

 

 

You might like