পানির নিচে বিচিত্র হোটেল 21/03/2016



চারপাশে সাগরের নীল পানি, এর ভেতরে নিশ্চিন্তে সাঁতার কাটছে ঝাঁকে ঝাঁকে রঙিন মাছ। মাঝে মাঝে চোখে পড়ছে দু-একটা কচ্ছপও। চোখ জুড়াচ্ছে হরেক রঙের প্রবাল। কী চমৎকার দৃশ্য, তাই না? এমন দৃশ্য সমুদ্রের নিচে ছাড়া দেখা সম্ভব নয়। তবে তুমি চাইলে সমুদ্রের নিচে বসেই এমন দৃশ্য উপভোগ করতে পারো। শুধু তাই না, ইচ্ছে করলে সমুদ্রের নিচেই কাটিয়ে দিতে পারো একটা রাত। অবাক হওয়ার কিছু নেই। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে অনেকগুলো আন্ডারওয়াটার হোটেল। এই হোতেলগুলোর প্রতিটিই অত্যন্ত সুন্দর। অবশ্য পানির নিচে হোটেল সুন্দর হওয়ারই কথা। চলো জেনে নিই পৃথিবীর নানা প্রান্তের কিছু আন্ডারওয়াটার হোটেলের খবর।

ফিজির এই হোটেল এবং রিসোর্টটিকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আন্ডারওয়াটার হোটেল। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে আন্ডারওয়াটার হোটেলের মধ্যে মানুষের প্রথম পছন্দ পজেইডন রিসোর্ট। এই রিসোর্টের ৭০ শতাংশ অ্যাক্রিলিক গ্লাসে তৈরি। সুতরাং এখানে গিয়ে তুমি ভাবতেই পারো তুমি একটা বিশাল বড় অ্যাকুরিয়ামের ভেতর ঢুকে পড়েছ। এই রিসোর্টে স্পা, রেস্টুরেন্ট, বিয়ের পার্টিপ্লেসসহ ২৫টি স্যুট রয়েছে। এছাড়া অতিথিরা চাইলে সাবমেরিনে করে সাগরতলের রাজ্যটা ঘুরতে পারেন।

এই হোটেলটি দুবাইয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় হোটেলগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি পৃথিবীর সুন্দরতম আন্ডারওয়াটার হোটেলগুলোর মধ্যে একটি। হোটেলটির অর্ধেক অংশ পানির উপরে এবং অর্ধেক পানির নিচে।

ওয়াটার ডিসকাস হোটেল খুব বেশি বড় নয়। এখানে পানির নিচের অংশে ২১টি রুম, একটি লবি এবং স্কুবা ডাইভিং শেখার জন্য একটি ট্রেনিং পুল রয়েছে। এই হোটেলটি বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো আন্ডারওয়াটার হোটেল। এটি আগে একটি রিসার্চ ফ্যাকাল্টি ছিল, পরবর্তীতে একে হোটেলে পরিণত করা হয়। হোতেলটি পানির ২১ ফিট নিচে অবস্থিত। এখানে কেবল ডাইভ করেই যাওয়া যায়।


এই হোটেলটিও চমৎকার। এর দুটি ফ্লোর পানির নিচে অবস্থিত। অতিথিদের জন্য এখানে বিভিন্ন রকম খেলাধূলা, স্পার সুবিধা ছাড়াও রয়েছে সুইমিং পুল এবং রেস্টুরেন্ট।
লাইফবোট হোটেলও একটি চমৎকার আন্ডারওয়াটার হোটেল। এখানে থাকার জন্য খুব সুন্দর অনেকগুলো রুম রয়েছে। এখানকার খাবার এবং পানীয়গুলোও দারুণ। তবে হ্যাঁ, এই হোটেলে থাকা-খাওয়ার খরচ কিন্তু অনেক বেশি।

You might like