চট্টগ্রাম বিভাগের জনপ্রিয় স্হান গুলো 09/03/2016



জনপ্রিয় কিছু পর্যটন স্পট রয়েছে চট্টগ্রামে । সেই স্হান গুলোর সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দিতেই আমাদের আজকের এই আয়োজন ।

ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশের সাতটি প্রশাসনিক বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বড় হল চট্রগ্রাম। প্রায় ৩ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত ৩৩,৭৭১.১৮ বর্গকিলোমিটার (১৩০৩৯.১৩ বর্গমাইল) আয়তনের এই বিভাগটি দেশের দক্ষিন-পূর্ব অংশ জুড়ে অবস্থিত।

হরিণমারা কুণ্ড ঝর্ণা

হরিণমারা কুণ্ড ঝর্ণা থেকে পানি সরাসরি গহ্বরে পরে যেখানে রয়েছে সবুজ ঠাণ্ডা পানি। ঝর্ণাটির সামনের জায়গা মাটি দিয়ে অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে আর একারনেই ঝর্ণা থেকে পানি পরার দৃশ্য পুরোপুরি দেখা যায় না। একসময় এই এলাকায় প্রচুর বন্য হরিণ বাস করত। সেসময় ঝর্ণাটি সব মৌসুমেই পানিতে পূর্ণ থাকত এবং হরিণেরা এসে ঝর্ণার পানি পান করত। মানুষ এখান থেকে হরিণ শিকার করত আর তাই এই ঝর্ণার নাম হয়েছে হরিণমারা কুণ্ড ঝর্ণা অথবা হরিণকুণ্ড ঝর্ণা। তবে প্রকৃতির প্রতি মানুষের বৈরি আচরণের কারনে বর্তমানে হরিণদের তেমন একটা দেখা মেলে না।

 

মাত্র ৩০ মিনিট হেঁটে খুব সহজেই আপনি এই ঝর্ণায় আসতে পারবেন। প্রথমেই আপনাকে মীরসরাই এর ছোট কমলদহ বাজারে আসতে হবে। ঢাকা থেকে সড়কপথে চট্রগ্রামে আসলে আপনি ছোট কমলদহ বাজারে নেমে যেতে পারবেন। এখান থেকে সিএনজি অটোরিকশায় করে পাহাড়ের কাছে আসতে পারবেন।তারপর আপনাকে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হবে এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে ঝর্ণার কাছে পৌছাতে পারবেন।

 

হিমছড়ি

কক্সবাজার শহরের ১২ কিলোমিটার দক্ষিনে এবং কলাতলী সৈকত থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে হিমছড়ি অবস্থিত। কক্সবাজারে রয়েছে পর্যটকদের জন্য বেশকিছু আকর্ষণ। হিমছড়িতে গিয়ে আপনি এখানকার প্রসিদ্ধ ঝর্ণা দেখতে পারেন যদিও শীতকালে এখানকার ঝর্ণাটি শুকিয়ে যায় তবে বর্ষাকালে এখানে আসলে আপনি ঝর্ণার পানির পূর্ণ প্রবাহ উপভোগ করতে পারবেন।

পাম গাছ এবং বাঁশঝাড়ে ঘেরা একটি অপূর্ব পিকনিক স্পট হল হিমছড়ি। শীতকালে যখন সূর্য পাহাড়ের উপর উদিত হয় এবং নীল সমুদ্রে অস্ত যায় তখন হিমছড়ি ভিন্ন এক রূপ ধারন করে। কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ৮ মাইল দূরে অবস্থিত হিমছড়ির পথে ভোরবেলা সৈকত ধরে ভ্রমন করলে আপনি এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। হিমছড়ির নানাবিধ আকর্ষণ প্রচুর পর্যটকদের এখানে আকর্ষিত করে নিয়ে আসে।

কলাতলী স্ট্যান্ড থেকে অটোরিকশা অথবা চান্দের গাড়িতে করে মাত্র ১৫ মিনিটে হিমছড়িতে পৌছাতে পারবেন। এছাড়া বাজার থেকে আপনি গাড়িও ভাড়া করতে পারবেন।

কিভাবে পৌঁছাবেন: কক্সবাজার জেলা

চট্রগ্রাম বিভাগের এগারোটি জেলার অন্যতম বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত কক্সবাজার জেলার উত্তরে রয়েছে চট্রগ্রাম জেলা, পূর্বে মায়ানমার ও বান্দরবান, এবং দক্ষিন ও পশ্চিমে রয়েছে বঙ্গোপসাগর।

তৈদুছড়া ঝর্ণা

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর তৈদুছড়া ঝর্ণাটি শিবছড়ি ঝর্ণা নামেও পরিচিত। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা খাগড়াছড়ির বৃহত্তম এই ঝর্ণাটিতে এসে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এখানে ছবি তুলতে পারবেন এবং ট্রেকিং করতে পারবেন। এখানে দুটি ঝর্ণা দেখতে পাবেন। একটি ঝর্ণা থেকে অন্যটিতে হেঁটে যেতে প্রায় আধঘণ্টা সময় লাগবে। কয়েকবছর আগে এখানে দুটি ঝর্ণা আবিষ্কৃত হয়।

দীঘিনালা খাগড়াছড়ি জেলার একটি উপজেলা। ঢাকা কিংবা খাগড়াছড়ি হতে গাড়ী নিয়ে সরাসরি যাওয়া যায় দীঘিনালায়। তৈদুছড়া ভ্রমনের জন্য খাগড়াছড়িতে রাত্রি যাপন না করে দীঘনালায় থাকাই উত্তম। এখানে থাকার জন্য একটি ভাল মানের রেষ্টহাউজ আছে। যোগাযোগ করলে হয়তো আগে থেকেই এটি বুকিং করা সম্ভব, অথবা গিয়েও বুকিং করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বুকিং পাওয়াটা ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিতে হবে। আর একান্ত রেষ্টহাউজ না পেলে এখানকার স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে কোন না কোন একটি থাকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। গাড়ী নিয়ে দীঘিনালা হতে সামনে এগিয়ে চাপ্পাপাড়া পর্যন্ত যাওয়া যায়। এর পর আর গাড়ী চলার কোন পথ না থাকায় বাকী পথটুকু হেঁটেই যেতে হবে।

দীঘিনালা হতে সব মিলিয়ে তৈদুছড়ি পর্যন্ত পৌছতে প্রায় ৪ ঘন্টা সময় লাগে। নির্ভর করে হাঁটার গতির উপর। সুতরাং সকালে রওয়ানা দিলে অনায়েসেই সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসা সম্ভব। এই আসা যাওয়ার পথটি মোটেও বিরক্তিকর নয়। হাঁটতে হাঁটতে যতটা না ক্লান্তি আপনাকে গ্রাস করবে তার চাইতেও বেশী গ্রাস করবে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নেশা। চোখ বন্ধ করে বলে দেয়া যায় যে আপনি আসক্ত হবেনই। কেবল দীঘিনালা থেকে তৈদুছড়া নয়, খাগড়াছড়ি প্রবেশের পর হতে আপনার জন্য কেবল বিস্ময় অপেক্ষা করবে। যে দিকেই চোখ যাবে কেবল সবুজ পাহাড়, নীল আকাশ আর সাদা কুয়াশার মত মেঘ আপনাকে মোহাবিষ্ট করে রাখবে।

চিংড়ি ঝিরি

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় বগা লেকের খুব কাছেই অপূর্ব সুন্দর চিংড়ি ঝিরি ঝর্ণাটি অবস্থিত। বগা লেক থেকে মাত্র এক ঘণ্টার হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত হওয়ায় বগা লেক দেখতে আসলে আপনি এই ঝর্ণাটিও দেখতে আসতে পারেন। চিংড়ি ঝিরি ঝর্ণায় আসলে আপনাকে বেশকিছু বিশালাকার পাথর খণ্ড অতিক্রম করতে হবে আর এ জন্য আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। মূল রাস্তা থেকে এই ঝর্ণাটি একটু গভীরে অবস্থিত তবে এখানকার পথে হাঁটার কাজটি মোটেই কঠিন নয়।

আপনি বান্দরবান এবং কেওক্রাডং এ থাকতে পারবেন। বগা লেকে থাকার জন্য স্থানীয় আদিবাসীরা পর্যটকদের জন্য ভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা করে থাকে। তারা নিজেদের সাধ্যমত পর্যাপ্ত সুবিধাসহ ছোট এবং আকর্ষণীয় কটেজ নির্মাণ করেছে। সমুদ্রের প্রায় ১৫০০ ফুট উঁচু এসব কটেজে সুলভ মূল্যের বিনিময়ে অবস্থান করে কটেজের সৌন্দর্য, সুযোগ সুবিধা এবং নির্মাণশৈলী দেখে পর্যটকেরা কখনো কখনো মুগ্ধ হন।

চিম্বুক পাহাড়

বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুকের পরিচিত অনেক পুরনো। পাহাড়ের এই দৃশ্যটি অতি চমৎকার। এ পাহাড় থেকৈ সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করবে। বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ চিম্বুক পাহাড় বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। বান্দরবান সদর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে এই পাহাড়টি সমুদ্রের ২৫০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তায় জিপে করে চিম্বুক পাহাড়ে যাওয়ার পথে আপনি রোমাঞ্চিত হবেন। জিপে করে আদিবাসীদের গ্রামের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের অতি সাধারণ জীবনযাত্রা দেখে আপনি বাধ্য হবেন টিকে থাকার জন্য আমাদের পূর্বসূরিদের জীবন সংগ্রামকে স্মরণ করতে।

গ্রামের এসব আদিবাসী প্রকৃতির মতই সরল ও সাধারণ। চিম্বুকের উপর থেকে নীচে তাকালে মনে হবে আপনি মেঘে ভেসে আছেন। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় পাহাড়ের উপর মেঘের দেখা পাবেন। এছাড়া পাহাড়ের উপর থেকে দিগন্তজুড়ে আঁকাবাঁকা পাহাড়কে আপনার কাছে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতই মনে হবে।

বান্দরবান জেলার রুমা সদর এবং বান্দরবান সদরে চিম্বুক পাহাড় অবস্থিত। বান্দরবানে পৌছানোর বেশকিছু উপায় আছে। বান্দরবানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বাস চলাচল করে যেমনঃ সাউদিয়া, এস আলম, শ্যামলী, ইউনিক, ডলফিন ইত্যাদি। এসব বাসে ভাড়া প্রায় ৬৫০/- টাকা। ঢাকা থেকে বান্দরবানে ৯ থেকে ১০ ঘণ্টায় পৌছাতে পারবেন। এছাড়া ব্যাক্তিগত অথবা ভাড়া গাড়িতেও আপনি বান্দরবানে যেতে পারেন। আপনি জীপ বা চাঁদের গাড়িতে চড়ে এখানে যেতে পারেন। এখানে চাঁন্দের গাড়ি/ঝীপ/মাইক্রোবাস/পাবলিক বাস যোগে যাওয়া যায়।

ফয়’স লেক

ফয়’স লেক চট্রগ্রামে অবস্থিত মানবসৃষ্ট একটি লেক যেটি একটি বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মানুষ পরিবার পরিজন এবং বন্ধু বান্ধবের সাথে এখানে বিনোদনের জন্য এসে থাকে। ফয়’স লেকে কনকর্ড গ্রুপের পরিচালিত একটি বিনোদন পার্ক রয়েছে। পার্কের অভ্যন্তরে একটি ওয়াটার থিম পার্ক, রিসোর্ট এবং বিনোদন কেন্দ্র রয়েছে। লেকের অপরূপ সৌন্দর্য এবং লেকের চারপাশের পাহাড় এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

চট্রগ্রাম শহর থেকে ব্যাক্তিগত গাড়ি, বাস, অটোরিকশা অথবা টেম্পোতে করে ফয়’স লেকে পৌছাতে পারবেন।

এখানে বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা রকমের আয়োজন। যেমনঃ আপনি পাহাড় ঘেরা লেকের স্বচ্ছ পানিতে নৌকা ভ্রমন করতে পারেন। 

বগা লেক

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর প্রাকৃতিক লেক বগা লেককে বাগাকাইন লেক অথবা বাগা লেকেইসও বলা হয়ে থাকে। বান্দরবানের রুমা সদর উপজেলা থেকে এই লেকটি ১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ প্রায় থেকে প্রায় ৩০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত বগা লেকের আয়তন প্রায় ১৫ একর। নীলপানির এই লেকটির সৃষ্টির পেছনে বেশকিছু কল্পকাহিনী রয়েছে। বেশীরভাগ পর্যটক শীতকালে বগা লেকে বেড়াতে আসেন। বগা লেকের পাশে আদিবাসী বাউম ও খুমি সম্প্রদায়ের দেখা মিলবে।

বর্ষাকালে এই লেকের পাশে হাঁটা কঠিন হয়ে পড়ে। বগা লেকের ভিতরে ও বাইরে ছড়িয়ে থাকা বিশালাকারের পাথর অবাক করবে আপনাকে। লেকের পাশে ক্যাম্প ফায়ারের আয়োজন করে এক অবিশ্বাস্য এবং মনজুড়ানো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। রুমা থেকে বগা লেকে যাওয়ার রাস্তাটি বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে।

বর্ষাকালে এই লেকের পাশে হাঁটা কঠিন হয়ে পড়ে। বগা লেকের ভিতরে ও বাইরে ছড়িয়ে থাকা বিশালাকারের পাথর অবাক করবে আপনাকে। লেকের পাশে ক্যাম্প ফায়ারের আয়োজন করে এক অবিশ্বাস্য এবং মনজুড়ানো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। রুমা থেকে বগা লেকে যাওয়ার রাস্তাটি বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে।

চন্দ্রনাথ পাহাড়

হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে অন্যতম পুণ্যতম স্থান হল চন্দ্রনাথ পাহাড়। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় পরিপূর্ণ এই স্থানে রয়েছে পেয়ারাআম ও পানবাগান। আদিবাসী টিপরা সম্প্রদায়ের একটি গ্রাম এখানেই অবস্থিত। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের গায়ে থাকা সিঁড়ি দিয়ে সহজেই পাহাড়ের উপর থেকে উঠা নামা করা যায়।

ঢাকা থেকে চট্রগ্রামে দিনের ২৪ ঘণ্টাই এসি ও নন এসি বাস চলাচল করে। এছাড়া ঢাকা থেকে ট্রেনে ও আকাশপথেও চট্রগ্রামে যাওয়া যায়।

প্রথমেই আপনাকে বাসে করে চট্রগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ডে পৌছাতে হবে। তারপর সীতাকুণ্ড বাজারে পৌছাবেন। এখান থেকে ৩.৫ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত চন্দ্রনাথ পাহাড়ে রিকশায় করে অথবা পায়ে হেঁটে যেতে পারবেন।

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স

সারাদেশ থেকে বান্দরবানে আগত পর্যটকদের জন্য মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স একটি অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। বান্দরবানে প্রবেশের সময় জেলা পরিষদের এলাকায় এই কমপ্লেক্সটি অবস্থিত। বান্দরবান শহর থেকে ৪.৫ কিলোমিটার দূরে কেরানীহাটমুখী সড়কের উপর অবস্থিত এই কমপ্লেক্সটির দেখভাল করে জেলা প্রশাসন। কেরানীহাট সড়কের পাশে পাহাড়বেষ্টিত স্বচ্ছ জলের মনোরম লেক। মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে রয়েছে একটি মিনি সাফারি পার্ক, একটি মিনি চিড়িয়াখানা, একটি ঝুলন্ত সেতু, নৌকা ভ্রমনের ব্যবস্থা এবং পাহাড়ের পাদদেশে একটি কৃত্রিম লেক।

প্রবেশ মূল্য : জনপ্রতি ৩০ টাকা

বিশেষ আকর্ষণ : বান্দরবান শহর থেকে ৪.৫ কিলোমিটার দূরে এই কমপ্লেক্সে রয়েছে চিত্তবিনোদনের নানাবিধ উপকরণ। এখানে একটি মনোরম কৃত্রিম হ্রদ, শিশু পার্ক, সাফারী পার্ক, পেডেল বোট, ঝুলন্ত ব্রিজ চিড়িয়াখানা, পিকনিক স্পট রয়েছে।

অবকাশ : এখানে জেলা প্রশাসন পরিচালিত একটি সুন্দর রেস্ট হাউজ রয়েছে, যেখানে রাত্রিযাপন করা যায়। রেস্ট হাউজটি দৈনিক ভিত্তিতে ভাড়ায় পাওয়া যায়।

 
 

 

You might like