বিস্ময়কর প্রকৃতির পাহাড়ি সৌন্দর্য 13/08/2016



বিস্ময়কর পাহাড়ি  সৌন্দর্যের নাম নাফাখুম ঝর্ণা।যারা নাফাখুম ঝর্নার প্রকৃত সৌন্দর্য দেখতে চান তারা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের মধ্যে ভ্রমণ করলে তা দেখতে পারবেন। এই সময় উপর থেকে আছড়ে পড়া পানির প্রচন্ড আঘাতে ঝর্নার চারপাশে অনেকটা স্থান জুড়ে সৃষ্টি হয় ঘন কুয়াশার সেই সাথে উপর থেকে নিচে পানি পতিত হওয়ার আওয়াজ তো রয়েছেই।দেশের অন্যতম একটি পর্যটন স্পট বান্দরবন। যেখানে প্রকৃতি তার সৌন্দর্যের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছে। মেঘের সংস্পর্শ, সাথে হিম বাতাসের খেলা। আর চারপাশে সবুজের হাতছানি। চারদিকে শুধুই বিশুদ্ধ শান্তির পরশ।পার্বত্য জেলা বান্দরবনের রেমাক্রি।

এটি একটি মারমা অধ্যুষিত এলাকা। বান্দরবান জেলার যে স্থানগুলোর কারণে এই জেলাটি পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে থাকা জেলাগুলোর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে তার একটি হচ্ছে নাফাখুম ঝর্না। আর এই রেমাক্রি গ্রামটিকে কেন্দ্র করেই এই নাফাখুম ঝর্নাটি অবস্থিত। রেমাক্রি থেকে প্রায় ৩ ঘন্টার হাটা দূরত্বে এই ঝর্নাটি অবস্থিত। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই স্থানে এসে বাক খেয়ে প্রায় ৩০ ফুট নিচে পতিত হয়ে প্রকৃতির অপরূপ ছোঁয়ায় সৃষ্টি হয়ে অসাধারণ এই ঝর্নাটি। আপনি যদি পাহাড়ি সৌন্দর্যকে স্পর্শ করতে চান তাহলে, একবার ঘুরে আসুন https://www.facebook.com/tour.com.bd/ ।আপনার ভ্রমণ সম্পর্কিত যেকোনো সাহায্যের জন্য আছে http://tour.com.bd/. মাথার উপরে খোলা আকাশে রৌদ্র-ছায়ার লুকোচুরি খেলা আর নিচে খরস্রোতা নদীর ধেয়ে আসা কল্লোলধ্বনি। চারিদিকে পাহাড়-পর্বত, নদী ও পাথুরে খাল দেখে আপনার মনে হতেই পারে যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা কোনো ছবি চোখের সামনে।রাস্তা দুর্গম হলেও অপরূপ সুন্দর নাফাখুম ঝর্ণা।যাওয়ার পথটি একটু কঠিন কিন্তু ভাবনার চেয়ে বেশি সুন্দর

রূপ তার। অভুতপূর্ব এই ঝর্ণা ও পাহাড়ি পথের সৌন্দর্য, যে কাউকে মুগ্ধ করে তুলবে। মন ভোলানো সে রূপের ছটা চোখে লেগে থাকবে সারা জীবন। পুর ১ টার মধ্যে যাওয়া যাবে থানচিতে। রাত সেখানে কাটিয়ে পরদিন সকালে রওনা দিতে হবে নাফাখুমের উদ্দেশ্যে। থানচি বাজার থেকে নাফাখুম যাবার জন্য নৌকায় করে তিন্দু বাজার, তারপর রেমাক্রি বাজারে পৌঁছাতে হবে। নৌকা ভাড়া নিতে পারেন তবে লোকাল ভাবে গেলে ভাড়া অনেক কম পড়বে। সময় লাগবে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার মতো। রেমাক্রি থেকে নাফাখুম ঝর্ণা পায়ে হেঁটে ভেতর দিকে আরও প্রায় দুই ঘণ্টার পথ। ভাগ্য ভালো হলে প্রাকৃতিক বাথটাবে শরীর এলিয়ে গোসল করার সুযোগও পেয়ে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ঝর্ণায় পানির পরিমাণ কম থাকতে হবে দুপাশের সবুজ পাহাড়ী বন আর পাথুরে ভূমি নাফাখুম ঝর্ণাকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা, করেছে আরও আকর্ষণীয়।

পাথরের ফাঁকে ছোপ ছোপ সবুজ ঘাসের থোকা সৌন্দর্যের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুন।।নাফাখুম এর কিছু কিছু পাহাড় বেশ উঁচু।দেখে মনে হবে সেই পাহাড়গুলোর চূড়া মেঘের আবরণে ঢাকা পড়েছে। পাহাড়ের ঢালের মাঝে রয়েছে টিনের ঘরবাড়ি। এখানকার নদীগুলোর গভীরতা খুব কম। কোনো কোনো স্থানে পানির নিচের মাটি দেখা যায়। তবে নদীগুলোতে সবসময় প্রচন্ড স্রোত থাকে। তাই পথ চলতে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।বান্দরবান থেকে নাফাখুম যাওয়ার পথে পর্যটকদের তিন্দু ও বড় পাথর নামক দুটি স্থান পাড়ি দিতে হয়। অসাধারণ সুন্দর এই তিন্দুতে একটি বিজিবি ক্যাম্প রয়েছে। তিন্দুতে পর্যটকদের জন্য রাতে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে।

তিন্দু থেকে কিছুটা পথ সামনে এগোলেই বড় পাথর। স্থানীয়দের বিশ্বাস চলতি পথে এই পাথরকে সম্মান প্রদর্শন করতে হয় নতুবা যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় লোকজন এই পাথরকে রাজা পাথর বলে সম্বোধন করেন।শুরু থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজ চোখে সৌন্দর্যকে বন্ধি করে বাড়ির পথে রওনা দাওয়া আর মনের মাঝে নিয়ে যাওয়া প্রকৃতির পাহাড়ি সৌন্দর্য নাফাখুম ঝর্ণা।

আকর্ষণীয় ভ্রমন সম্পর্কে জানতে,

Visit our Web Page: http://tour.com.bd/

Visit Our facebook page: https://www.facebook.com/tour.com.bd

You might like